• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

রাজনীতিবিদরা কে কোথায় ঈদ করবেন

Reporter Name / ১৪৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৩

ঈদে বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ এবার ঢাকায় অবস্থান করবেন। নামাজ শেষে নির্বাচনি এলাকায় যাবেন কেউ কেউ। তবে তারা নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজ নিজ এলাকায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। অনেকে নির্বাচনি এলাকায়ও ঈদ করবেন। যোগ দেবেন নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে। নির্বাচনের বার্তা নিয়ে যাচ্ছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতারা। আর বিএনপির নেতারা যাচ্ছেন আন্দোলনের বার্তা নিয়ে। অনেক রাজনীতিবিদ ঈদের আগে নির্বাচনি এলাকায় ঘুরেও এসেছেন। ঈদের পরও এলাকায় যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে অনেকের।
আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারও ঈদ করবেন ঢাকায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে। করোনার কারণে গত কয়েক ঈদে ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ছিল না। তবে এবার ঈদের দিন বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সিনিয়র নেতা, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনীতিক, সিনিয়র সচিব, সচিব ও সমপর্যায়ের বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার।
এদিকে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে দলটির উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবেন। তবে ইতোমধ্যে নিজ এলাকা ঝালকাঠিতে গিয়ে ঘুরে এসেছেন। উপদেষ্টা পরিষদের আরেক সদস্য তোফায়েল আহমেদও ঈদ করবেন রাজধানীতেই। ঈদের দিন বনানীর বাসায় কাটাবেন তিনি। তবে তিনিও ইতোমধ্যে নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এসেছেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঈদ করবেন ঢাকায়। তবে নোয়াখালীতে নিজের নির্বাচনি এলাকার নেতাকর্মীদের খোঁজখবর রাখছেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরীও ঈদ করবেন ঢাকায়। তবে নির্বাচনি এলাকায় আসা-যাওয়া করছেন তিনি।
সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ঈদ করবেন ঢাকায়। তবে ঈদের আগে তিনি নির্বাচনি এলাকা টাঙ্গাইলে ঘুরে এসেছেন। ঈদের পরও যাবেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান ও জাহাঙ্গীর কবির নানকও ঈদ করবেন ঢাকায়। সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য আব্দুর রহমান ঈদ করবেন নিজ এলাকা ফরিদপুরে।
যুগ্মসাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ঈদ করবেন নিজ নির্বাচনি এলাকায় চট্টগ্রামে। আরেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ঈদ করবেন দেশের বাইরে। তবে ঈদের আগেই তিনি নিজ এলাকা কুষ্টিয়ায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে ঈদ করবেন যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
অপরদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় ঈদ করবেন। দীর্ঘদিন পর এবার তিনি ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলী রহমান সিঁথির সঙ্গে ঈদ করবেন। এছাড়াও বোন সেলিমা ইসলাম ও ভাই শামীম এস্কান্দারসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যও ঈদের দিন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সময় কাটাবেন। ওইদিন সন্ধ্যায় তার সঙ্গে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের দেখা করার কথা রয়েছে। এছাড়াও বেলা ১১টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠ ও দোয়া করবেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ঢাকায় ঈদ করবেন। ঈদের পর তার নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এবং আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামের নিজ এলাকায় ঈদ করবেন। ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান ঢাকায় থাকবেন। তবে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান ঈদের দিন নিজ এলাকা নরসিংদীতে যাওয়ার কথা রয়েছে। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর এবং সালাউদ্দিন আহমেদ ভারতে আছেন।
সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাড়ে চার মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। জানা যায়, তিনি ৫০ মামলায় জামিন পেয়েছেন, তার মুক্তিতে এখন কোনো বাধা নেই। কারামুক্ত হলে রাজধানীর আদাবরের বাসায় ঈদ করার কথা রয়েছে। এছাড়া দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, আবদুল আউয়াল মিন্টু, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ অনেকে ঢাকায় থাকবেন। আর ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, বরকতউল্লাহ বুলু নোয়াখালীতে, যুগ্মমহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বরিশালে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোরে নিজ এলাকায় ঈদ করবেন। কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহের নিজ এলাকা থেকে ঘুরে এসেছেন। ঢাকায় ঈদ করে তিনি আবারও নিজ এলাকায় যাবেন। আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ নিজ এলাকা মুন্সীগঞ্জে যাওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল নিজ এলাকা জামালপুরের মেলান্দহে, আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, তাবিথ আউয়াল ও প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন ঢাকায় ঈদ করবেন। ঢাকা মহানগরের আমানউল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, আমিনুল হক ও রফিকুল আলম মজনু নিজ নির্বাচনি এলাকায় ঈদ করবেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহিরউদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ঢাকা না নিজ এলাকায় (বরিশালের গৌরনদী) ঈদ করব, এখনো ঠিক করিনি। কারণ, যখনই নিজ এলাকা যেতে চাই, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বাধা দেন।’ মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি নিজ এলাকা লক্ষ্মীপুরে থাকবেন।
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তার গুলশানের বাসায় ঈদ করবেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের ঢাকায় ঈদ করবেন। ওইদিন বেলা ১১টা থেকে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে পার্টির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা এবং সুশীল সমাজের সদস্যদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। এছাড়া জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুও ঢাকায় ঈদ করবেন।
এছাড়া গণফোরামের ড. কামাল হোসেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জেএসডির আ স ম আবদুর রব, জাসদের হাসানুল হক ইনু, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না এবং কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম ঢাকায় ঈদ করবেন। এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ ঢাকায় ঈদ করলেও মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ নিজ এলাকা কুমিল্লার চান্দিনায় করবেন। বাংলাদেশ এলডিপির সভাপতি আব্দুল করিম আব্বাসীও ঢাকায়, তবে মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম ঈদ করবেন লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নের গ্রামের বাড়িতে। আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী কুমিল্লায় ও সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু ফেনীর শর্শাদীর নিজ এলকায় থাকবেন। অবশ্য তাদের মধ্যে কেউ কেউ ঢাকায় ঈদের নামাজ আদায় করেই নির্বাচনি এলাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।