• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

তীব্র গরমে লিগ: ভবিষ্যতে সূচি নিয়ে ভাববে বিসিবি

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে দেশ। খোলা জায়গায় কয়েক মিনিট দাঁড়ানোই যেখানে কঠিন, সেখানে তীব্র গরমে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলছেন ক্রিকেটাররা। তীব্র গরমে খেলতে কষ্ট হলেও তা মুখ বুঝে সহ্য করছেন অনেকে। তবে বিসিবির পরিচালক ও আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন রাখডাক না করেই ক্রিকেটারদের কষ্টের কথা সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন। তিনি বরং প্রশ্ন রেখেছেন, ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট আসরটি কেন গরমে অনুষ্ঠিত হবে? একদিন পর বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে গরমের কথা তারা মাথায় রাখবেন।

ঢাকা লিগ শীতকালে নিয়ে যাওয়ার আলোচনা থাকলেও বাস্তবে সেটি বেশ কঠিন। কেননা বছরের শেষ দিকে বিসিবি জাতীয় লিগ, বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের মতো টুর্নামেন্ট আয়োজন করে থাকে। বছরের শুরুতে আছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)।তাছাড়া শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়েও ব্যস্ত সময় কাটান ক্রিকেটাররা। সেক্ষেত্রে সূচি বদলালে ঢাকা লিগ জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বাদ দিয়েই খেলতে হবে। কিন্তু অনেক ক্লাব আছে যারা জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বাদ দিয়ে খেলতে চায় না।

তার পরেও বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন আশ্বাস দিয়েছেন, ভবিষ্যতে গরমের কথা চিন্তা করে সূচি নির্ধারণ করবেন তারা, ‘আসলে এই গরমটা একেবারে অপ্রত্যাশিত, আগে কখনও দেখিনি। এটা অবশ্যই আমাদের মাথায় থাকবে। ভবিষ্যতে যখনই খেলাগুলোর পরিকল্পনা করবো, তখন বিষয়টা মাথায় থাকবে। তবে এটা মাথায় থাকলেই যে খুব বেশি কিছু একটা করা যাবে, তা আমার মনে হয় না। আমাদের যে ক্যালেন্ডার আর স্পেস আছে তাতে খুবই কঠিন।

বিসিবি সভাপতি পরে ক্লাবগুলোর সদিচ্ছার বিষয়টিও সামনে এনেছেন, ‘আমরা খেলা দিতে পারবো, কিন্তু কথা হচ্ছে ক্লাবগুলো খেলতে রাজি হবে কিনা। জাতীয় দলের ক্রিকেটার ছাড়া কেউ খেলতে চায় না। আর আমাদের যে দায়বদ্ধতা আছে, সেটাকে আলাদা রেখে সময় বের করা খুবই কঠিন। ওদের থাকতেই হবে এমন চিন্তা থেকে যদি বের হয়ে না আসি তাহলে সূচি সরানো যাবে না।

তীব্র গরমে পুড়ছে পুরো উপমহাদেশই। ভারতে এই গরমের মধ্যেও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যদিও বেশিরভাগ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাতের বেলায়। কলকাতার উদাহরণ টেনে বোর্ড প্রধান বলেছেন, ‘আপনি কলকাতার অবস্থা দেখেন, গরমে তো সেখানকার স্কুল-কলেজও বন্ধ রবিবার থেকে। কিন্তু খেলা হচ্ছে, বন্ধ হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।