• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

উন্নয়ন কোথায়, সাধারণ মানুষ খেতে পারছে না: মির্জা ফখরুল

Reporter Name / ১৪৪ Time View
Update : সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩

আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজির কারণে মার্কেটগুলো অরক্ষিত- এমন অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু হলেই খোঁজেন বিএনপি আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। অথচ সরকারের লোকেরাই বঙ্গবাজারে আগুন লাগিয়েছে, ব্যবসায়ীরা তাই বলেছে। অগ্নিকাণ্ডের জন্য সম্পূর্ণ দায় সরকারের।

তিনি বলেন, নিরপেক্ষ  সরকারের অধীনে নির্বাচন, সারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর দাবি থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতেই সরকার নিজেই আগুন লাগাচ্ছে, উল্টো বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সারের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী কৃষক দল এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। মির্জা ফখরুল বলেন, এখনও সময় আছে সারের দাম কমান, ধানের দাম বাড়ান। অন্যথায় জনগণ আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, সারের দাম বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে কৃষকদের চরম অবহেলা করা হয়েছে। সারা পৃথিবীতে কৃষিতে ভর্তুকি দেওয়া হলেও আমাদের সারের দাম বাড়ানো হয়েছে আইএমএফ এর শর্ত পূরণে। কৃষকদের গলা চেপে ধরার জন্য সারের দাম বৃদ্ধি।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, যে উৎপাদন করে তাদের চিন্তা না করে মদদপুষ্ট লোকদের স্বার্থ দেখছে সরকার।

তিনি বলেন, উন্নয়ন কোথায়, সাধারণ মানুষ খেতে পারছে না। সরকার দেশে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছে। মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গণবিরোধী। আর সহ্য করা হবে না। সরকারকে সরাতে হবে। সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন দেশের ক্ষতি হবে।
বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য সবাই একজোট হয়ে আন্দোলনে নেমেছি। বিএনপি ক্ষমতায় যেতে নয় মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে এই আন্দোলন।

তিনি বলেন, কোনো গ্রেপ্তার মামলা দিয়ে এবার আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না। জনগনকে সঙ্গে নিয়ে বিজয় অর্জন করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায় করে নির্বাচন দিতে হবে। কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসান জাফির তুহিনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন – সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।