• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না একাত্তর ও চব্বিশকে নিয়েই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু

পাঁচ সিটিতে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী যাঁরা

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩

পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে ইচ্ছুক ৪১ জন মেয়র পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। গত রোববার শুরু হয়ে আজ বুধবার ফরম বিতরণ শেষ হয়।

আওয়ামী লীগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, এই নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি গাজীপুরে। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়ার পদের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ১৭ জন।

আগ্রহী প্রার্থীর সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে সিলেট। ১০ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনে মেয়র পদের জন্য।

বরিশাল সিটি করপোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহসহ ৭ জন মেয়র পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

খুলনা সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকসহ ৪ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

রাজশাহীতে আগ্রহী প্রার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে কম। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামানসহ তিনজন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুসারে, আগামী ২৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ হবে। খুলনা ও বরিশালে ভোট হবে ১২ জুন। আর ২১ জুন রাজশাহী ও সিলেটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

গাজীপুর সিটিতে মনোনয়নপ্রত্যাশী সবচেয়ে বেশি

১. মতিউর রহমান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
২. মো. কামরুল আহসান সরকার, আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর যুবলীগ।
৩. মো. মেজবাহ উদ্দিন সরকার, সদস্য, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
৪. মো. সাইফুল, যুগ্ম আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর যুবলীগ।
৫. কাজী ইলিয়াস আহম্মেদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
৬. আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক সদস্য, বন ও পরিবেশবিষয়ক উপকমিটি, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।
৭. আসাদুর রহমান, সাবেক সহসভাপতি, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
৮. মো. আবদুল আলীম মোল্লা, সাবেক সদস্য, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
৯. মো. আশরাফুজ্জামান, সাবেক সদস্য, শিল্প ও বাণিজ্য উপকমিটি আওয়ামী লীগ।
১০. মো. আজমত উল্লা খান, সভাপতি, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
১১. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
১২. রিয়াজ মাহমুদ, সাবেক উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
১৩. মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক উপদপ্তর সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
১৪. এস এম আশরাফুল আলম, সাবেক শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
১৫. মো. আবদুল কাদের, সাবেক সভাপতি, গাজীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।
১৬. মো. হারুন অর রশিদ, প্রাথমিক সদস্য, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ।
১৭. মো. রুহুল আমীন মণ্ডল, সদস্য, আওয়ামী যুবলীগ।

সিলেট সিটিতে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন যাঁরা

১. মো. জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ।
২. আরমান আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ।
৩. মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ।
৪. আসাদ উদ্দিন আহমদ, সহসভাপতি, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ।
৫. মো. আজাদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ।
৬. এ টি এম এ হাসান জেবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ।
৭. মো. মাহি উদ্দিন আহমদ, সদস্য ৭ নম্বর ওয়ার্ড মহানগর আওয়ামী লীগ।
৮. আবদুল খালিক, সহসভাপতি, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ।
৯. মো. মিজবাহ উদ্দিন সিরাজ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, আওয়ামী লীগ।
১০. ছালেহ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ।

বরিশালে যাঁরা মনোনয়ন চান

১. মাহমুদুল হক খান, যুগ্ম আহবায়ক, বরিশাল যুবলীগ।
২. আবুল খায়ের আবদুল্লাহ, সদস্য, আওয়ামী যুবলীগ।
৩. মো. জসিম উদ্দিন, সাবেক সভাপতি, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ।
৪. মো. মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক, বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ।
৫. সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বর্তমান মেয়র, সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ।
৬. মো. মঈন তুষার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রলীগ।
৭. মীর আমিন উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ।

খুলনা সিটিতে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

১. তালুকদার আবদুল খালেক, বর্তমান মেয়র, সভাপতি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ।
২. রুনু রেমা, সদস্য, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ।
৩. মো. আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ।
৪. মো. সাইফুল ইসলাম, সভাপতি, খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগ।

রাজশাহী সিটিতে মনোনয়নপ্রত্যাশী কম

১. এ এইচ এম খায়রুজ্জামান, বর্তমান মেয়র, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
২. মো. মাহফুজুল আলম, সহসভাপতি, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ।
৩. মো. ডাবলু সরকার, সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।