• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী অঞ্চলের সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন

মহানবী (সা.) যেসব সুগন্ধির পছন্দ করতেন

Reporter Name / ১৭৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩

মনপ্রাণ প্রফুল্ল করে সুগন্ধি। যার সৌরভে স্নিগ্ধতা অনুভব করেন ব্যবহারকারী। অনেকে একে রুহের খোরাক বলেন। এটি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নত। সুগন্ধির প্রতি তাঁর ভীষণ অনুরাগ ছিল। তিনি নিজেও ছিলেন যার আধার।

শুধু নবীজিই নয়, সব নবীর সুন্নত ছিল সুগন্ধি। হাদিস শরিফে ইরশাদ আছে, আবু আইয়ুব আল-আনসারি (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ৪টি জিনিস নবীদের চিরাচরিত সুন্নত। সেগুলো হলো- লজ্জা ও শরম, সুগন্ধি ব্যবহার, মিসওয়াক করা এবং বিয়ে করা। (তিরমিজি, হাদিস : ১০৮০)

মহানবী (সা.) প্রচুর সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। তিনি রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে চারদিক সুগন্ধে ভরে যেতো। সুগন্ধির প্রতি আকর্ষণ নবী-রাসুলদের আদর্শ।

নবীজি (সা.) সুগন্ধি ব্যাপক পছন্দ করতেন। কেউ তা উপহার দিলে কখনো প্রত্যাখ্যান করতেন না তিনি। (বুখারি, হাদিস : ৫৯২৯)

হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ৩টি জিনিস নাকচ করা যায় না। সেগুলো হলো- বালিশ, সুগন্ধি তেল ও দুধ। (তিরমিজি, হাদিস : ২৭৯০)

তো নবীজি (সা.) কোন সুগন্ধিগুলো বেশি ব্যবহার করতেন। হাদিসের আলোকে সেগুলোর কয়েকটি নিচে তুলে ধরা হলো-

মেশক
হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.)-কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, উত্তম সুগন্ধি হলো মেশক। (তিরমিজি, হাদিস : ৯৯২)

এদেশে মেশককে কস্তুরিও বলা হয়। মিলন ঋতুতে পুরুষ হরিণের পেটের কস্তুরি গ্রন্থি থেকে সুগন্ধ বের হয়। মেয়ে হরিণকে তা আকৃষ্ট করে। ঋতুর শেষে যা হরিণের শরীর থেকে খসে পড়ে। পরে সেটি রোদে শুকিয়ে কস্তুরি তৈরি করা হয়।

চন্দন ও জাফরান
আল্লামা ইবনে আবদুল বার (রহ.) ‘তামহিদ’ নামক কিতাবে আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-এর একটি হাদিস ব্যাখ্যা করেছেন। তাতে বলা হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) জাফরান সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

মসলা ও খাবার হিসেবেও এটি ব্যবহৃত হয়। এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। এতে উন্নতমানের ক্যারোটিন থাকে। যাকে ক্রোসিন বলা হয়। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার কোষ-লিউকেমিয়া, ওভারিয়ান কারসিনোমা, কোলন অ্যাডেনোকারসিনোমা প্রভৃতি বিনষ্ট করতে সাহায্য করে এটি।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, জাফরান স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। জাপানে পারকিনসন এবং স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া নানা রোগে তা প্রয়োগ করা হয়।

আম্বর
হজরত আয়েশা (রা.)-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, রাসুলুল্লাহ (সা.) কী ধরনের সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। জবাবে তিনি বলেন, নবীজি (সা.) মেশক ও আম্বরের সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। (নাসায়ি শরিফ, হাদিস : ৫০২৭)

সমুদ্রে এক ধরনের মাছ আছে। এ থেকে মোমের মতো জিনিস পাওয়া যায়। সেটি দিয়ে মহামূল্যবান এ সুগন্ধি তৈরি করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।