• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

লিটনের পর মুশফিকের সেঞ্চুরি

Reporter Name / ১৫৬ Time View
Update : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৩

সাকিবের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করলেন সাবলীল ভঙ্গিতেই। সাকিব সেঞ্চুরি না পেলেও শান্ত মেজাজে খেলেই ক্যারিয়ারের দশম শতক তুলে নিলেন মুশফিকুর রহিম। সেঞ্চুরির পথে মুশফিক খেলেছেন ১৩৫ বল। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১৩ রান দূরে থাকতে এই অলরাউন্ডার অফ-স্টাম্পের অনেক বাইরের বল টেনে লেগে খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের তালুবন্দী হয়েছেন তিনি। এর আগে সাদা পোশাকে সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন ২০১৭ সালের ১৪ মার্চ। দীর্ঘ ৬ বছরের সেঞ্চুরিখরা তার আজও কাটানো হলো না। দ্বিতীয় দিনের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দিনের শুরুতে মুমিনুলের উইকেট হারায় তারা। ৩৪ রানের সঙ্গে মাত্র ৬ রান যোগ করতেই বিদায় নেন মুমিনুল হক। এর পর মাঠে এসে পুরো দায়িত্বটা তুলে নেন অধিনায়ক সাকিব ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। এ দুজন করেন ১৯৯ রানের জুটি।
এদিকে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে উইকেট গেলেও ব্যাট হাতে আগ্রাসী ভূমিকায় দেখা গেছে সাকিবকে। অপরপ্রান্তে কিছুটা ধরে খেলেছেন মুশফিক। ইতোমধ্যে সাকিব তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩১তম অর্ধশত তুলে নিয়েছেন। এর জন্য খেলেছেন মাত্র ৪৫ বল। অর্থাৎ বলা যায়, তিনি ওয়ানডে স্টাইলে তুলে নিয়েছেন অর্ধশত। ২৬তম অর্ধশত তুলে নিয়েছেন মুশফিকও। বর্তমানে তিনি অপরাজিত আছেন ৫৩ রানে।  এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাঞ্চে রয়েছে দুদল। তার আগে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৭৩ রান। মুশফিক ১১০ ও লিটন দাস ৩২ বলে করেছেন ৩২ রান। অর্থাৎ লিড হয়েছে ৫৯ রানে।
মঙ্গলবার মিরপুরে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি শুরু হয়। প্রথম দিনে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সফরকারি আয়ারল্যান্ড। তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে পড়ে প্রথম দিনে ২১৪ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। তাইজুল ৫ উইকেট তুলে নেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিনে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৪ রান সংগ্রহ করেন টাইগাররা। দিনের শেষ বলে তামিম ইকবালকে আউট করেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন। এতে করে ১৮০ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শেষ করেন স্বাগতিকরা। এই ম্যাচের আগে মাত্র তিন টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে আয়ারল্যান্ডের। মাত্র চতুর্থ টেস্ট খেলতে নেমেই টাইগারদের চোখ রাঙানি দিচ্ছেন আইরিশ বোলাররা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।