• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

রাজশাহীর দুর্গম পদ্মার চরে বিদ্যুতের আলো

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩

রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার দুর্গম চরের মানুষ কখনো ভাবেনি বাড়িতে বিদ্যুতের আলো জ্বলবে। প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুতের আলো জ্বলছে। দুই বছর আগে যেটা চরের মানুষের দিবাস্বপ্ন মনে হয়েছে, এখন সেটা বাস্তবায়ন হয়েছে। চরের মানুষকে আর হারিকেন-কুপি ব্যবহার করতে হয় না।

জানা যায়, উপজেলা সদর থেকে দক্ষিণে পদ্মা নদী। ২০১২ সালে ১৫টি চর নিয়ে চকরাজাপুর ইউনিয়ন গঠন করা হয়। ২০১৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ সালের ৪ জুন প্রথম নির্বাচন হয়। ২০১৯ সালে ৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুর্গম চরে নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যুৎ লাইন। বর্তমানে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় রয়েছে।

গড়গড়ি ইউনিয়ন ভেঙে পদ্মার নদীর চরে ৪৬ দশমিক ৪৭২ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে চকরাজাপুর ইউনিয়ন গঠিত হয়েছে। পদ্মার ওপারে গড়গড়ি ইউনিয়ন আলাদা রয়ে গেছে। এ ইউনিয়নে জনসংখ্যা ২০ হাজার ৪৭২ জন। এরমধ্যে ভোটার সংখ্যা আট হাজার ৩৭৬ জন। এর মধ্যে পরুষ ৪ হাজার ২৬৪ ও নারী চার হাজার ১৩০ জন।

পদ্মার চরে ২০০৬ সালে সন্ত্রাসী বাহিনীর উত্থান ঘটেছিল। ওই সময়ে সন্ত্রাসীর হাতে ৪১ জন মানুষ খুন হন। ওই চরের মাটিতে পা দিতে গা ছমছম করত। বর্তমানে চরে সন্ত্রাসী বাহিনীর তৎপরতা নেই।

পলাশী ফতেপুর চরের জাহিদুল ইসলাম সরকার স্বপন বলেন, ২০০৬ সালের ১৯ এপ্রিল পদ্মার চরে সন্ত্রাসীদের হাতে আমার পরিবারের তিনজনকে হারিয়েছি। ওই সময়ে সন্ত্রাসীরা এক বোবা মেয়েকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছিল। ধর্ষণের বিচার দাবি করায় আমার পরিবারের তিনজনসহ দেড় বছরের ব্যবধানে ৪১ জনকে প্রাণ হারাতে হয়েছে।

চকরাজাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বাবলু দেওয়ান বলেন, চরে দুটি উচ্চ বিদ্যালয় ও ৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। দুই বছর আগেও স্কুলের শিক্ষার্থীদের কেউ হারিকেন, আবার কেউ সৌর বিদ্যুতের আলোয় পড়াশোনা করত। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সহযোগিতায় বর্তমানে শিক্ষার্থীরা বিদ্যুতের আলোয় পড়াশোনা করছে। এটা কখনও কল্পনাও করিনি। এ ইউনিয়নে সাড়ে চার কিলোমিটার পাকা রাস্তা হয়েছে। কাঁচা রাস্তা ৪০ কিলোমিটার। চরের সংখ্যা ১৫টি। বাঘা সদরের সঙ্গে চলাচল করতে ৭০০ মিটার রাস্তার ব্যবস্থা হলে আর কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।