• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মেসির শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে যা বললেন এমবাপ্পে

Reporter Name / ১৪৬ Time View
Update : বুধবার, ১ মার্চ, ২০২৩

মেসির শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে যা বললেন এমবাপ্পে

লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। দুজন একই ক্লাবের হয়ে মাঠ মাতান। কাতারে বিশ্বকাপের ফাইনালে এমবাপ্পেকে পরাজিত করে মেসি জিতেছেন বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি। গত সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আবারও মুখোমুখি হয়েছিলেন দুজন। সেখানেও মেসির কাছে ধরাশায়ী হলেন এমবাপ্পে।

সোমবার প্যারিসে দ্য বেস্টের অনুষ্ঠানে দুজনই বসেছিলেন সামনের সারিতে। ফিফা দ্য বেস্ট অ্যাওয়ার্ডে বর্ষসেরা ফুটবলার হিসেবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো মেসির নাম ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে পাশের চেয়ারে বসা এমবাপ্পের দিকে তাকিয়ে হাত বাড়িয়ে দিলেন। ফরাসি তারকাও হাসিমুখে অভিনন্দন জানিয়েছেন এলএমটেনকে।

বিশ্বকাপের পর দ্য বেস্টের অ্যাওয়ার্ডের লড়াইয়ে আরও একবার মেসির কাছে হারের পর মেসিকে আরও একবার অভিনন্দন জানাতে সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারস্থ হন এমবাপ্পে। ট্রফি হাতে নিজের ছবি আপলোড করে ইনস্টাগ্রামে এমবাপ্পে লিখেন, ঘরে আরো একটি ট্রফি এসেছে। অনেক অভিনন্দন লিও মেসি।

এটুকু লিখেই থামেননি এমবাপ্পে। ৮ গোল করে কাতার বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া এমবাপ্পে সহজভাবেই মেনে নিয়েছেন মেসির শ্রেষ্ঠত্ব। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, তুমিই সেরা।

বিশ্বের সব দেশের জাতীয় ফুটবল দলের কোচ, অধিনায়ক, নির্বাচিত সাংবাদিক আর ভক্তদের ভোটের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়েছে ফিফার বর্ষসেরার ফুটবলার। ২০২১ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনা করে দেয়া হয়েছে এই পুরস্কার। এই সময়ে ৪৫ গোলের পাশাপাশি ৩৪টি এসিস্ট করেছেন মেসি।

মেসি এই পুরস্কার জয়ের পথে পেয়েছেন ৫২ পয়েন্ট। এর বিপরীতে দ্বিতীয় হওয়া এমবাপ্পে পেয়েছেন ৪৪ পয়েন্ট। ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি স্ট্রাইকার বেনজেমা।

এদিকে এই পুরস্কার জেতার পর মেসি বলেন, ‘অকল্পনীয়। দুর্দান্ত একটি বছর কাটিয়েছি এবং এখানে থাকতে পারা এবং এই পুরস্কার জেতা আমার জন্য সম্মানের। সতীর্থদের ছাড়া এখানে থাকতে পারতাম না আমি। দীর্ঘদিন ধরে যে স্বপ্নটি দেখেছি, সেটা অবশেষে পূরণ করতে পেরেছি। খুব কম মানুষই এটা পূরণ করতে পারে এবং স্বপ্নটা পূরণ করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।