• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বিএনপির মতিগতি ভালো না মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের

Reporter Name / ১৪৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

বিএনপির মতিগতি ভালো না মন্তব্য করে তাদের ‘খেয়াল’ রাখতে দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, খেয়াল রাখবেন। এদের (বিএনপি) মতিগতি কিন্তু খারাপ। এখন তারা দেখছে নির্বাচন করে শেখ হাসিনার সঙ্গে জেতা সম্ভব নয়। এখন তাদের মতলব হচ্ছে শেখ হাসিনার সরকারকে ষড়যন্ত্র করে হটিয়ে দেওয়া।মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হেলিপ্যাড মাঠে সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মিঠামইন উপজেলা আওয়ামী লীগ এ সুধী সমাবেশের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিএনপির হাতে ভাঙচুরের লাঠি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এদের হাতে ভাঙচুরের লাঠি। শপথ নিতে হবে অগ্নিসন্ত্রাস করতে এলে আমরা যে হাতে আগুন দেবে, সেই হাত পুড়িয়ে দেব। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তৈরি আছেন তো? বুকের পাটা আছে তো? মনের জোর আছে তো? খেলা হবে। খেলা হবে। হবে খেলা? কী করে খেলব? বিএনপি তো জানে নির্বাচনে এলে জামানত থাকবে না। বড় খারাপ অবস্থা, পথ হারিয়ে পদযাত্রা। এটার দৈর্ঘ্যে কমে প্রস্থে বাড়ে। কী খেলবে এরা? আন্দোলনে হেরে গেছে। নির্বাচনে খেলতে চায় (বিএনপি), খেলা হবে। আমরা প্রস্তুত। হাওরের মানুষ শেখ হাসিনা ও নৌকার পাশে আছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তাকে যেতে হবে সংবিধান মেনে। কিন্তু তাকে আমরা ভুলিনি, ভুলব না। আমাদের নেত্রী তাকে খুব শ্রদ্ধা করেন। সারা দেশ তাকে সম্মানের চোখে দেখে। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।