• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

আন্দোলনে ছাত্রদলের ভূমিকা প্রত্যাশাপূর্ণ নয় : আমির খসরু

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

বর্তমানে বিএনপির চলমান আন্দোলনে ছাত্রদলের ভূমিকা প্রত্যাশাপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ সোমবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল উত্তরাঞ্চলের সাবেক ও বর্তমান নেতারা। আমির খসরু মাহমুদ বলেন, অনেকেই মনে করছেন বর্তমানে চলমান যে আন্দোলন সেখানে ছাত্রদলের ভূমিকা প্রত্যাশা পূর্ণ নয়। বাংলাদেশের জনগণ এবং দলের মধ্যে এ বিষয়টা কাজ করছে। প্রত্যাশিত রেজাল্ট ছাত্রদল এখনো দিতে পারেনি। এ সত্য কথা আমাদের বলতে হবে। বিএনপির এ ক্রান্তিকালে  ছাত্রদলের প্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

আমাদের যুদ্ধ আমাদেরই করতে হবে বিদেশি শক্তিগুলো সহায়ক হিসেবে কাজ করবে উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, বিদেশিরা অনেক দিক থেকে আমাদের সমর্থন দিচ্ছেন। দুইদিন আগেও বাংলাদেশের বিরোধী দলের ওপর নির্যাতন নিয়ে জাতিসংঘ দীর্ঘ বিবৃতি দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো, আমেরিকান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সবাই দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তারা ততক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকবে। যতক্ষণ আমরা রাজপথে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করব। বাংলাদেশে এসে তারা (বিদেশিরা) কেন আমাদের যুদ্ধ লড়তে যাবেন। আমাদের যুদ্ধ আমাদেরই করতে হবে শুধু সহায়ক শক্তিগুলো এগিয়ে আসবে।

নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া বিএনপির সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, বাংলাদেশের জনগণের মনে একটি প্রশ্ন নিরপেক্ষ নির্বাচন। এর বাইরে বাকি আলোচনায় যাবার আমাদের কোনো প্রয়োজন নেই। সরকারের মন্ত্রীরা বিভিন্ন ইস্যুতে বিভিন্ন রকম বক্তব্য দিচ্ছেন। কিন্তু আমরা এসবের কোনো উত্তর দিচ্ছি না। জনগণ নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। এটা আমাদেরও দাবি। আমরা এর বাইরে কোনো আলোচনা করব না। নির্দলীয় সরকারের অধীনে ছাড়া আগামীতে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

শুধু মাত্র ছবির তোলার জন্য কোন পদ যাত্রা করা যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ৫১টি থানায় বিশালভাবে পদযাত্রা হতে হবে। এটা হবে আগামী দিনের শেখ হাসিনার পদত্যাগের সিগন্যাল। যদি সুষ্ঠুভাবে পদযাত্রা করতে পারেন তাহলে আগামী দিনের শেখ হাসিনার পতনের প্রথম ধাপ পার হয়ে যাবেন আপনারা। আর এর পরবর্তী কর্মসূচিতে দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করবে। আর এখন কিন্তু পদ নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নেই। সত্যি কথা বলতে কি, আপনি টিকে থাকলেই তো তারপর পদ। এরকম একটা ফ্যাসিস্টের যদি পতন ঘটাতে না পারি, তাহলে আপনি পদ দিয়ে কি করবেন। দেশের মানুষকে বার্তা দিতে হবে, আমরা প্রস্তুত আপনার (জনগণ) মাঠে নামেন।

সভার সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান। সভা সঞ্চালনা করেন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী জেলা সভাপতি খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন ও বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা রকিবুল ইসলাম বকুল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।