• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া দৌরাত্ম চলছে: মির্জা ফখরুল

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রটি এখন সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া দৌরাত্ম চলছে। মহান শহীদ দিবসের মতো একটি জাতীয় অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলা প্রমাণ করে, বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রটি এখন সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মহান শহীদ দিবসের মতো পবিত্র দিনেও বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলা-নির্যাতন সরকারের প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির নির্লজ্জ বহিঃপ্রকাশ। এমনকি আওয়ামী কর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের বহন করা ফুলের তোড়াও কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলে।

বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে ফেনীর সোনাগাজী, নড়াইলের লোহাগড়া ও নেত্রকোণাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় ফেনীর সোনাগাজীতে মো. সুজন, কামরুল হাসান, আহসান উল্যাহসহ অন্তত ১০ জন, নড়াইলের লোহাগড়ায় মফিজুর রহমান, ওহিদুজ্জামানসহ ৮ জন এবং নেত্রকোণায় আবুল কাশেম, প্রান্ত পাঠান, মশিউর রহমানসহ ১২ জনের অধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। গুরুতর আহত নেতাকর্মীরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ভয়াবহ সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশের মানুষকে ভীতসন্ত্রস্ত রেখে রাষ্ট্রক্ষমতা ধরে রাখতে দেশ যেন এখন গুম, খুন, অপহরণ, হামলা-মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতন-নিপীড়নের এক মহাক্ষেত্র।

মহান দিবসের অনুষ্ঠান পালন করার সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আহত নেতাকর্মীদের সুস্থতা কামনা করেন মির্জা ফখরুল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।