• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

ইসলামী আন্দোলনকে পক্ষে আনার চেষ্টা করছে বিএনপি

Reporter Name / ১২৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনকে পক্ষে আনার চেষ্টা করছে বিএনপি। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে বৈঠক করে। 

প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিএনপির পক্ষে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের প্রধান জহির উদ্দীন স্বপন, বরিশাল জেলা দক্ষিণের আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান, সদস্য সচিব আবুল কালাম, সাবেক সভাপতি এবায়দুল হক চান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমাতুল্লাসহ ১০ জন নেতা। আর ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি রেজাউল করীমসহ দলটির শীর্ষ নেতারা। যদিও বিএনপির দাবি কোনো প্রকার এজেন্ডা ছাড়াই তারা সেখানে গিয়েছিলেন। আর ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের দাবি তারা সব দলকেই চরমোনাইয়ের ৩ দিনের মাহফিলে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো দল না এলেও বিএনপি তাদের আমন্ত্রণে এসেছিল। সে সময় মধ্যাহ্নভোজ ও দরবারের মেহমানখানায় দুই দলের নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

চরমোনাইয়ের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান বলেন, চরমোনাইর মাহফিলে আমরা গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের আপ্যায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে ১০ দফা দাবিতে বিএনপির চলমান আন্দোলনে তাদের শরিক থাকাসহ নানা বিষয়ে প্রাণবন্ত মতবিনিময় করা হয়েছে। তবে এটা দলীয় কোনো এজেন্ডা ছিল।

বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান ফারুক বলেন, চরমোনাইতে আমাদের একটি টিম গিয়েছিল। তবে সেখানে কী আলোচনা হয়েছে, সেটা আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আশরাফ আলী আকন বলেন, আমরা বিভিন্ন দলকে মাহফিলে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। সেখানে বিএনপি এসেছিল। তাদের সঙ্গে চলমান রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে দিশাহারা সাধারণ মানুষ। আমরা এসব মানুষের পক্ষে কাজ করতে চাই। বিএনপি রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন চায়, রাষ্ট্রকে একটি কল্যাণকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চায়। এজন্য তারা সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এখনো আমরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে যাইনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক জহির উদ্দীন স্বপন বলেন, চরমোনাইয়ের মাহফিলে আমরা ১০ জনের প্রতিনিধি দল গিয়েছিলাম। সেখানে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে বিএনপির চলমান আন্দোলন ১০ দফা দাবিতে তাদের শরিক হতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। চরমোনাইয়ের সঙ্গে বড় কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা খুব কাছাকাছি এসেছি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিএনপি আন্দোলন করে যাচ্ছে। সেখানে ইসলামী আন্দোলনকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।