• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

বিএনপির পদযাত্রা থেকে অস্ত্র উঁচিয়ে হামলা করা সেই যুবক গ্রেফতার

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজারে বিএনপির পদযাত্রা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ অফিসে হামলায় অংশ নেওয়া জাহিদুল ইসলাম জাহিদ(২৪) নামে সেই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শ্রীপুর উপজেলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন দুপুর ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার জাহিদ ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার সাধুয়া গ্রামের সাইদুর রহমান মীরের ছেলে। তিনি পাঁচ-ছয় বছর আগে ওই থানাধীন বরামা-বরমী এলাকায় এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। 

শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, জাহিদের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি ও চাদাবাজিসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে।

গ্রেফতার জাহিদুল ইসলাম জাহিদঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘জাহিদুল ইসলাম জাহিদের কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অস্ত্রটি আসল না নকল তা ফরেনসিক রিপোর্টের পর নিশ্চিত করে বলা যাবে। একেকজন একেক ধরনের কথা বলছেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।’ 

বরামা গ্রামের বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের এক কর্মী জানান, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ প্রায় পাঁচ-ছয় বছর আগে থেকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী গ্রাম থেকে বরমী এলাকায় বসবাস শুরু করেন জাহিদ। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং জেলও খেটেছেন। তিনি বরমী পশ্চিমপাড়া গ্রামের নজরুলের দোকানের পাশে শামসুলের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকট হারুন-অর রশিদ ফরিদ বলেন, ‘বিএনপির মিছিল থেকে সে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা করেছে। তা ছাড়া বিএনপি যদি বিষয়টি অস্বীকার করে থাকে, সেটি বিশ্বাসযোগ্য না। কারণ, বিএনপির পূর্বঘোষিত আজকের কর্মসূচিতে মিছিলে উপস্থিত জাহিদও বিএনপির কর্মী।’  

শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তারুল আলম মাস্টার বলেন, ‘জাহিদ বিএনপি তথা দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনও কর্মী না। আগেও তার সঙ্গে বিএনপির কোনও সম্পর্ক ছিল না।’

শ্রীপুর থানার ওসি জানান, তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না। দুপুরের পর সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। তবে তার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে একটি চাঁদাবাজি এবং আরেকটি  মারামারির মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আর কোনও মামলা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরমী বাজারে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং কার্যালয়ে ভাঙচুরের এ ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পিস্তল উঁচিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হুমকি দিয়েছেন জাহিদ। এরই মধ্যে তার পিস্তল হাতে থাকা ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।