• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

নির্বাচনে না এলে বিএনপিকে পালাতে হবে, ১৪ বছরে বদলে গেছে বাংলাদেশ: কাদের

Reporter Name / ১৪৬ Time View
Update : শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে না এলে বিএনপিকে পালাতে হবে। এমন মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সুনামগঞ্জ পৌর শহরের সরকারি জুবিলী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৪ বছর আগের আর বর্তমানের সুনামগঞ্জকে এখন চেনা যায় না। সুনামগঞ্জ এখন সত্যিকার অর্থে আলো ঝলমলে। এই রুপান্তর ঘটিয়েছেন শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৪ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। হিংসা করে লাভ নেই। অনেক জ্বালা অনেকের। সুনামগঞ্জ গ্রাম থেকে শহর হয়ে গেল কত জ্বালা বিএনপি নেতাদের।

বিএনপির কর্মসূচির দিন আওয়ামী লীগ পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১০ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত কোনো বিভাগে আওয়ামী লীগের লোকেরা বিএনপির ওপর কোনো সমাবেশে হামলা চালিয়েছে? এর প্রমাণ আছে? তাহলে কেন পাল্টাপাল্টি বলবেন? আমরা করছি আমাদের সমাবেশ। আমরা একই রকম করছি না। নির্বাচন পর্যন্ত প্রতিদিনই আমাদের সমাবেশ হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা ডাকি সমাবেশ, হয়ে যায় মহাসমাবেশ। বিএনপি ডাকে মহাসমাবেশ, হয়ে যায় কোনো রকম একটা সমাবেশ। তাদের (বিএনপি) মহাসমাবেশ সমাবেশ হতেও কষ্ট।

তারেক রহমানকে দেশে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাহস আছে আপনাদের? সাহস ছিল আপনাদের নেতার? পালিয়ে গেল কেন? ওখানে বসে বসে ফেসবুক লাইভে হুঙ্কার ছোড়ে। সৎ সাহস থাকলে আসুন, মোকাবিলা হবে। রাজপথে খেলা হবে।

এর আগে দুপুর ১২টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। নেতাদের মঞ্চে আসন গ্রহণের পর সূচনা বক্তব্য দেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান সভাপতিত্ব করেন। জেলা সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবিরের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।