• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের জবাব দিলেন হিরো আলম

Reporter Name / ১৩৭ Time View
Update : সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হিরো আলম নাকি জিরো হয়েছে। এটা ভুল বলেছেন। হিরোকে কেউ কখনো জিরো করতে পারে না। হিরো হিরোই থাকে বলে মন্তব্য করেছেন উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হেরে যাওয়া মো. আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম।

শনিবার রাত ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ফেসবুক লাইভে হিরো আলম আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমি আগে থেকেই বলেছিলাম, বগুড়া-৪ আসনে ভোট সুষ্ঠ (সুষ্ঠু) হয়েছে। কোনো কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্ট বের করেও দেওয়া হয়নি। কাহালুতে ৬৩টি কেন্দ্রে প্রায় দুই হাজার ৫০০ ভোটে এগিয়ে ছিলাম। নন্দীগ্রামে ৪৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১ থেকে ৩৯টি কেন্দ্রের ফল একে একে ঘোষণা করা হয়। তারপর আর ফল ঘোষণা না করে সরাসরি মশাল প্রতীককে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। কাহালু উপজেলায় ৬৩টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণার দুই ঘণ্টা পর নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪৯টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ৮৩৪ ভোটে যে আমাকে ফেল দেখানো হয়েছে, আমাকে কীভাবে ফেল দেখানো যায়, সেই চিন্তা করতে করতেই দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। আবার ভোট গণনা চেয়ে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

স্বতন্ত্র এই প্রার্থী বলেন, ‘দু-তিন ধরে কিছু দল আমাকে নিয়ে নানা কথা বলছে। আজ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্যার হিরো আলমকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন। হিরো আলমকে নাকি বিএনপি দাঁড়িয়ে (দাঁড় করিয়ে) দিয়েছে। বিএনপির কোনো সাইনবোর্ড নিয়ে কি আমি ভোট করেছি? বিএনপির কেউ কি মাঠে ছিল? আমার পাশে ছিল? আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট করেছি, আমাকে কিন্তু বিএনপি দাঁড় করে (করিয়ে) দেয়নি।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাকে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেই প্রসঙ্গে তুলে হিরো আলম বলেন, ‘মির্জা আলমগীর বলেছেন, এই সরকার এখন অসহায় হয়ে গেছে। এই সরকার অসহায় হয়েছে কি না, আমি জানি না। তবে আমি হিরো আলম যে অসহায় হয়েছি, এই প্রশ্নের জবাব কে দেবে? আমার ভোটের ফলাফল যে কেড়ে নেওয়া হলো, এই প্রশ্নের জবাব কে দেবে? আমি কার কাছে বিচার দেব। আমি যাদের কাছে বিচার দিতেছি, তারা কেউ বিচার করছে না।’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে হিরো আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের সবার বিচার তো আপনি করেন। আমি আপনার কাছে বিচার দিলাম। আমার ভোট সুষ্ঠমতো (সুষ্ঠুমতো) হলো, কিন্তু ভোটের ফলাফল সুষ্ঠমতো রায় দেওয়া হলো না কেন? এর বিচার চাই।’

হিরো আলম এখন বিএনপির কাঁধে ভর দিয়ে চলছে—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হিরো আলম কারও কান্দের ওপর ভর দিয়ে চলে না। আজকে এত দূর এসেছি, কেউ সহযোগিতা করেনি। নিজের পরিশ্রম, সংগ্রাম করেই আমি হিরো আলম হয়েছি। কারও ওপর ভর করিনি।’

লাইভে হিরো আলম আরও বলেন, ‘পুরো পরিকল্পনা ও চক্রান্ত করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। ভোটে যে গণজোয়ার দেখেছি, হিরো আলম হারতে পারে না, হারার প্রশ্নই আসে না।’

ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের স্যার বলেছেন,  হিরো আলম পার্লামেন্টে গেলে নাকি পার্লামেন্ট ছোট হবে। আমি যদি পার্লামেন্টে গেলে পার্লামেন্ট ছোট করা হয় তবে যখন মনোনয়ন কিনছি, তখন কিন্তু আপনাদের বলা উচিত ছিল, হিরো আলমের কাছে যেন মনোনয়ন বিক্রি করা না হয়। আপনারাই বলেছেন, গণতান্ত্রিক দেশ, সবাই নির্বাচন করতে পারবে। সবার যদি নির্বাচন করার কথা আইনে থাকে, তাহলে আমি ভোটে দাঁড়ালে সংসদ ছোট হবে কেন? তাহলে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে আইন করতে হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।