• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘটনায় যা বলল ছাত্রলীগ

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : শনিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চ ভেঙে পড়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকালে ঢাবির অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ ভেঙে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্রলীগ নেতারা ওবায়দুল কাদেরকে জড়িয়ে ধরলে তিনি বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পান।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি জামাল উদ্দিন চৌধুরী, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুজ্জামান রানা, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সদস্য মো. জাবেদ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা বরিকুল ইসলাম। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এনামুল হক শামীম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীও মঞ্চ ভেঙে আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘটনায় আমরা অত্যন্ত লজ্জিত ও দুঃখিত উল্লেখ করে শেখ ওয়ালী আসিফ বলেন, আমরা চেষ্টা করেছিলাম মঞ্চটি মজবুতভাবে তৈরি করার। কিন্তু প্রত্যাশিত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি লোক মঞ্চে ওঠায় ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাটির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। মঞ্চ বানানোর দায়িত্বে থাকা ডেকোরেটরের ইচ্ছাকৃত ভুলত্রুটি কি না, তা আমরা খতিয়ে দেখব।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের এ ধরনের মঞ্চে সাধারণত কয়েকশ লোকের ওঠার মতো ব্যবস্থা রাখা হয়। এবারও কয়েকশ লোকের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মঞ্চ করেছিলাম। এরপরও এ ধরনের দুর্ঘটনা দুঃখজনক।

 

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, মঞ্চ ভেঙে কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন। তারা জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এদিকে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় মঞ্চ ভেঙে পড়ায় ছাত্রলীগের নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের এত নেতার দরকার নেই। আমাদের কর্মী দরকার।

তিনি বলেন, বক্তব্য দেওয়ার সময় আচমকা মঞ্চ ভেঙে পড়েছে। এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। মঞ্চে অনেক নেতা ছিলেন। আমি বলব, আমাদের আরও কর্মী দরকার। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট কর্মী দরকার। এত নেতা দরকার নেই। যে কোনো মঞ্চে গেলে সামনের লোকের চেয়ে মঞ্চের লোকের সংখ্যা বেশি হয়। এত নেতা কেন?

তিনি আরও বলেন, পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে আমরা ছাত্রলীগ করতে গিয়ে আহত হয়েছিলাম, রক্তাক্ত হয়েছিল অনেকেই, গুরুতর আহত হয়েছে অনেকেই। আজ তো এটা স্টেজ ভেঙে পড়েছে, এটা স্বাভাবিক একটা ব্যাপার।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাবেক নেতাকর্মীদের মিলনমেলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ মঞ্চ ভেঙে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্রলীগ নেতারা ওবায়দুল কাদেরকে জড়িয়ে ধরলে তিনি বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পান। ধারণা করা হচ্ছে, মঞ্চে অতিরিক্ত মানুষ ওঠার কারণে এমনটি হতে পারে। পরে পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করলে ফের বক্তব্য শুরু করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।