• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

রংপুর সিটির মেয়র নির্বাচিত হয়ে যা বললেন মোস্তফা

Reporter Name / ১৫৩ Time View
Update : বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২

রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, এ বিজয়ের জন্য মহান আল্লাহতায়ালার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ বিজয়কে আমি রংপুর মহানগরবাসীর কাছে উৎসর্গ করলাম। আপনারা আগের মতো আমার পাশে থাকবেন। আমিও দরজায় পর্দাবিহীনভাবে আপনাদের পাশে থাকব। দুর্নীতি মুক্ত থেকে নগরবাসীর সেবা করার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।

এ সময় তিনি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কথা স্মরণ করে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

তিনি বলেন, ইভিএমে ভোট ধীরগতিতে এবং বিভিন্ন কেন্দ্রের মেশিনের ত্রুটির কারণে ভোট কম পোলিং হয়েছে। যদি স্বাভাবিকভাবে ভোট হতো এবং কাঙ্ক্ষিত ভোট পোল হতো তা হলে এবার আমি দুই লাখ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতাম।

নির্ধারিত সময় সাড়ে ৪টায় হলেও অনেক কেন্দ্রে ভোট হয়েছে সন্ধ্যা পর্যন্ত। একদিকে অনেক কেন্দ্রের ফল ঘোষিত হয়েছে, আর অনেক কেন্দ্রে চলেছে ভোট।

ইভিএমে ভোট ধীরগতিতে হওয়ায় যারা সাড়ে ৪টার আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করেছিলেন তাদের ভোট নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ছিল সাড়ে ৪টার পরও যেসব কেন্দ্রের ভেতরে মানুষ থাকবে, সেখানে ভোটগ্রহণ করা হবে।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সোয়া ১২টার দিকে রংপুর শিল্পকলা একাডেমিতে তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন।

প্রসঙ্গত, এক লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। সরকারদলীয় প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়ার চেয়ে এক লাখ ২৪ হাজার ৫৫৯ ভোট বেশি পেয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়াল হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৮৯২ ভোট। ৩৩ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন হাতি প্রতীকের স্বতন্ত্রপ্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) লতিফুর রহমান। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডালিয়া পেয়েছেন ২২ হাজার ৩০৯ ভোট।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।