• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করলো ইরান: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজিকে আইনি নোটিশ রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকা হতে ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫। টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু আজ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ ড্রোন ও রকেট হামলা

এমপি হতে শ্বশুরবাড়ির এলাকায় গণসংযোগে মাহির স্বামী

Reporter Name / ১৯৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। তার পৈতৃক নিবাস চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার তানোর উপজেলায়। সিনেমায় অভিনয় করলেও পাশাপাশি স্বামী-সংসার ও ব্যবসায় সময় দিয়ে থাকেন তিনি। বিয়ের পরে চলতি বছরের শুরুতে মা হতে যাওয়ার খবর জানান। আর বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা এই অভিনেত্রী।

মাহিয়া মাহি সিনেমার তারকা হলেও পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় হচ্ছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পেয়েছেন। আগামী ২ বছরের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মাহি।

অভিনেত্রীর স্বামী রাকিব সরকারও রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি গাজীপুরের আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির সদস্য। মূলত স্বামীর মাধ্যমে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছেন এই অভিনেত্রী। বিভিন্ন সময়ে স্বামী রকিব সরকারকে সঙ্গে নিয়ে গণসংযোগেও দেখা যায় তাকে।

মাহির বাবার বাড়ি এলাকা চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আগে সংসদ সদস্য ছিলেন বিএনপির আমিনুল ইসলাম। এই আসনে নির্বাচন করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির স্বামী রকিব সরকার। তারা শুরু করেছেন গণসংযোগও।

গণসংযোগের ছবি নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন মাহি। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আসন্ন উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়ন ও নাচোল পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করি। ইনশাআল্লাহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কে এই আসনটি জনগণ উপহার দিবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।