• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মায়ের জানাজায় ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া পরে অংশ নেন বিএনপি নেতা

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মায়ের জানাজায় ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া পরে অংশ নেন বিএনপি নেতা মো. আলী আজম। এ ঘটনায় মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, জানাজায় অংশ নেয়ার সময় ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া খুলে দিলে ভালো হতো।

বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিষয়টির দিকে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে এ মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।

এর আগে মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) কালিয়াকৈর উপজেলায় প্যারোলে মুক্তি নিয়ে উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম মায়ের জানাজায় অংশ নেন। জানাজায় অংশ নেয়ার সময় আলী আজম ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া পরা অবস্থায় ছিলেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর বিকেলে আলী আজমের মা সাহেরা বেগম বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান। মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ২০ ডিসেম্বর সকালে গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে নিজ এলাকায় জানাজায় অংশ নেন আলী আজম।

এ ঘটনায় স্বজনরা জানান, আলী আজম মাকে শেষবার দেখার জন্য ও জানাজা নিজে পড়াতে আইনজীবীর মাধ্যমে গত সোমবার গাজীপুর জেলা প্রশাসক বরাবর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। ওই দিন দাপ্তরিক কাজ শেষ না হওয়ার কারণে পরদিন, অর্থাৎ তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পান বিএনপি নেতা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আলী আজম প্যারোলে মুক্তি পাওয়ার পরে সকাল ১০টায় বাড়ির পাশে মায়ের জানাজাস্থলে হাজির হয়। বেলা ১১টায় তার মায়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মায়ের দাফন শেষে ফের কারাগারে নেয়া হয় তাকে। এই পুরো সময় ডান্ডাবেরি ও হাতকড়া অবস্থায় ছিলেন আলী আজম।

এই বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি চেক করেছি। গাজীপুরের পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। ডান্ডাবেড়ি বা হাতকড়া পরানো কিংবা না পরানো জেল প্রশাসনের কাজ। তা পুলিশের অধীনে নয়। সেই প্রশাসনের অধীনে একজন আইজি প্রিজন রয়েছেন। পুলিশের যে মহাপরিদর্শক, তাদের অধীনেও নয়। ডান্ডাবেড়ি বা হাতকড়া পরায় জেল প্রশাসন। বিষয়টি আমি চেক করেছি। তাকে প্যারোলে কয়েক ঘণ্টার জন্য মুক্তি দেয়া হয়েছিল।

ড. হাছান বলেন, কিছুদিন আগে কয়েকজন জঙ্গি পালিয়ে গেছে। তাদের ক্ষেত্রে যেভাবে সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজন ছিল তা করা হয়নি বলে উঠে এসেছে তদন্তে। এ কারণেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে তারা। ফলে তারা (গাজীপুর) অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করেছে।

তিনি বলেন, এসপি পর্যায়ে কথা বলেছি আমি। বিষয়টি জানতেন না তারা। বিএনপির ওই নেতাকে যারা বহন করেছে শুধু তারাই জানতেন। বাকি কেউ জানতেন না। তবে আমি মনে করি জানাজার সময় তার ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া খুলে দিলে ভালো হতো।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।