• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

২৪ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ঢাকায় ৩০ ডিসেম্বর গণমিছিল, ঘোষণা বিএনপির

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২২

২৪ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ঢাকায় ৩০ ডিসেম্বর গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, পূর্ব ঘোষিত ১০ দফা দাবিতে আগামী ২৪ ডিসেম্বর ঢাকাসহ সারাদেশে গণ মিছিলের যে কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি, সেই তারিখ পুনবিন্যাস করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন নজরুল ইসলাম খান। গণমিছিলের তারিখ পরিবর্তনের ব্যাখায় বিএনপির এই নেতা বলেন, যেহেতু বিএনপি সংঘাত চায় না। শান্তিপূর্ণ উপায়ে গণতান্ত্রিক পন্থায় সঙ্কটের সমাধান চায়। একইসাথে যেহেতু আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাদের দলীয় কাউন্সিলের কারণে গণমিছিল কর্মসূচি পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেছেন এবং আহ্বান জানিয়েছেন। সেহেতু আমরাও রাজনৈতিক দল হিসেবে আচরণ করতে চাই।

তিনি বলেন, ১০ দফা দাবি আদায়ে ২৪ ডিসেম্বর গণমিছিল কর্মসূচির যে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। ওই দিন এই কর্মসূচি ঢাকায় করব না। তবে সারাদেশের মহানগর ও জেলায় ওই দিনই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় এই কর্মসূচি ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ ডিসেম্বর কর্মসূচির নতুন তারিখ ঠিক করার নিয়েও একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই নেতা।

তিনি বলেন, অনির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের যে আন্দোলন, যথাযথ নির্বাচন দাবি আদায়ের যে লড়াই, সেজন্য জনগণকে ৩০ ডিসেম্বর স্মরণ করিয়ে দেয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০১৮ সালের এই দিনে সরকার দিনের ভোট রাতে অনুষ্ঠিত করে ক্ষমতায় এসেছে। ‌

এই লড়াইয়ে অনেক রাজনৈতিক দল যুক্ত হবেন তাদের মধ্যে অনেকেই একই দিন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, এজন্য ওই সকল দলকে ধন্যবাদ জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা আশা করছি যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব হবে। আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে বিএনপিকে দাওয়াত দেয়া হলে সেই কর্মসূচি অংশ নেবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন নুরুল ইসলাম খান বলেন, রাজনীতিতে যদি বলে কোনো শব্দ নেই। যদি দাওয়াত দেয়া হয় সে বিষয়ে দলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।