• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

ঘুমধুম সীমান্তের এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র স্থানান্তর

Reporter Name / ১৫৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ। ওই পরীক্ষা কেন্দ্র কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং পরীক্ষা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৯৯ জন।

ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের পরিবর্তে শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) থেকে উখিয়ার কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে এ পরীক্ষা নেয়া হবে। শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১২টার দিকে তাৎক্ষণিকভাবে এ সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড।

তাৎক্ষণিকভাবে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা ফেরদৌস বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আতঙ্কের কারণে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিবর্তন করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীর মানসিক অবস্থা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক ইয়াসিন পারভেজ তিরমিজি বিষয়টির নিশ্চিত করে বলেছেন, পরীক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়; সে জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুস্তফা কামরুল আখতার গণমাধ্যমকে বলেন, কয়েকদিন ধরেই সীমান্তে অস্থিরতার খবরে পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা বিকল্প ভেন্যু তৈরি করে রেখেছিলাম। কিছুক্ষণ আগে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মিয়ানমার সীমান্তবর্তী ঘুমধুম কেন্দ্রের কাছে গোলাবর্ষণজনিত কারণে কেন্দ্রটি পরিবর্তন করার কথা বলেন। বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে জানানোর সঙ্গে সঙ্গে সচিব ফোনে অনুমোদন দিয়েছেন। এরপরই উখিয়া কক্সবাজারে ঘুমধুম কেন্দ্র স্থানান্তরিত করার জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছি। এখন এই কেন্দ্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন কাজ করছেন। কোনো পরীক্ষার্থী চলে এলে পৌঁছে দিতে ঘুমধুম কেন্দ্রে কিছু যানবাহন প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাখা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই মাইকিং করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।