• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

দ্বিতীয়বারের মতো ‘দেশসেরা’ রাজশাহী কলেজ

Reporter Name / ১৬১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি কলেজগুলোর মধ্যে রাজশাহী কলেজ টানা দ্বিতীয়বারের মতো ‘দেশসেরা কলেজ’ নির্বাচিত হয়েছে। এটি ২০১৮ সালের র‌্যাংকিং।

এর আগে ২০১৭ সালেও এ কলেজটি দেশসেরা নির্বাচিত হয়েছিল। মাঝে কয়েক বছর করোনাভাইরাসের কারণে র‌্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সিনেট হলে এ ফল ঘোষণা করা হয়। পরে এক বিজ্ঞপ্তি ও ওয়েবসাইটে ফলাফলের তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, ২০১৮ সালের কলেজ র‌্যাংকিংয়ে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পাঁচ কলেজের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজশাজী কলেজ। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ। বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ তৃতীয়, ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজ চতুর্থ ও রংপুরের কারমাইকেল কলেজ পঞ্চম স্থানে রয়েছে।জাতীয় পর্যায়ে ‘সেরা মহিলা কলেজ’ নির্বাচিত হয়েছে ঢাকার লালমাটিয়া মহিলা কলেজ। এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে ‘সেরা বেসরকারি কলেজ’ নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা কমার্স কলেজ।

এর আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৮৮১টি স্নাতক (সম্মান) কলেজের পারফরমেন্সের ভিত্তিতে ২০১৫, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের কলেজ র‌্যাংকিং ফল প্রকাশ করা হয়। ২০১৮ সালের কলেজ র‌্যাংকিংয়ের জন্য অনলাইনে তথ্য প্রেরণের আহ্বান জানিয়ে ২০১৯ সালের ৩ মার্চ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন যাচাই-বাছাই করে ১২৫টি কলেজ প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়। নির্ধারিত কেপিআই পয়েন্টের ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে আটটি এবং ঢাকা অঞ্চলে ১০টি, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১০টি, রাজশাহী অঞ্চলে ১০টি, খুলনা অঞ্চলে ১০টি, বরিশাল অঞ্চলে চারটি, সিলেট অঞ্চলে ছয়টি, রংপুর অঞ্চলে ১০টি ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে আটটিসহ মোট ৭৬টি কলেজ চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।