• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তানের দেখা হতে পারে ৩ বার

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২

এবারের এশিয়া কাপে ৩ বার দেখা হতে পারে ভারত-পাকিস্তানের । গ্রুপ পর্বে ২৮ শে আগস্ট ছাড়াও আরও দুইবার দেখা হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা আছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। তবে, ২০১২ সালের পর এই প্রথম আগস্ট-সেপ্টেম্বরের গরমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হচ্ছে কোনো ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। মাঠের উত্তাপ কি পারবে আমিরাতের আবহাওয়ার উত্তাপকে প্রশমিত করতে?

নিঃসন্দেহে এশিয়া কাপের এবারের আসরের ফেভারিট ৭ বারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। ১৪টি আসর বসা এশিয়া কাপের ৫টি শিরোপা শ্রীলঙ্কার কাছে, আর ২টি পাকিস্তানের কাছে। নিঃসন্দেহে এশিয়া কাপের বড় লড়াইটা ভারত-পাকিস্তানের। ২৮ আগস্ট দুবাইতে এই এশিয়া কাপের প্রথম রাউন্ডেই দেখা যাবে দুই দলের মহারণ। সুপার ফোরে উঠলে আরও একবার, আর ফাইনালে উঠলে তো হচ্ছেই আবার দেখা। অর্থাৎ, একটা টুর্নামেন্টে তিনবার দেখা হয়ে যেতে পারে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। ব্র্যান্ড ভ্যালুর বিবেচনায় অন্য যে কোনো টুর্নামেন্টের চাইতে তাই স্বাভাবিকভাবেই এবারের এশিয়া কাপের থাকার কথা আলোচনা ও আকর্ষণের শীর্ষে।

তবে ভাবাচ্ছে এবারের এশিয়া কাপের আবহাওয়া। সংযুক্ত আরব আমিরাতের গরমে ২০১২ সাল ছাড়া আর কখনোই আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ক্রিকেট হয়নি। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, এই সময়টাতে দিন এবং রাত উভয় সময়েই গরমের সাথে লড়াই করতে হবে ক্রিকেটারদের তবে ফরম্যাটটা যখন টি-টোয়েন্টি, তখন আবহাওয়ার উত্তাপকে ছাড়িয়ে যেতেই পারে মাঠের উত্তাপ। আর টুর্নামেন্টটার নাম এশিয়া কাপ, যেখানে আছে মাস্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকারের সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি, ভিরাট কোহলির সর্বোচ্চ রানের ইনিংস, তামিমের পরপর ৪ হাফ সেঞ্চুরি। এসবের মধ্য থেকে দর্শকেরা খুঁজে বের করতে পারেন এশিয়া কাপের সেরা মুহূর্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।