• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

খেলার মাঠ দখল নিয়ে রাবিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ইংরেজি বিভাগ ও ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল স্টেডিয়ামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৫জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম আশিক মাহমুদ ধ্রুব। তিনি ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র সাংগঠনিক সম্পাদক। বাকিরা হলেন- ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ঐশর্য, তাকিব, নেহাল ও সাজ্জাদ।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৪টায় ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল নামে দুই গ্রুপের খেলা ছিল। কিন্তু তাদের খেলোয়াড় আসতে দেড়ি হওয়ায় ওই সময়ে খেলতে নামে ইংরেজি ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ। তাদের খেলা শেষ হওয়ার পূর্বেই ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র সকল খেলোয়াড় মাঠে উপস্থিত হয়। পরে তারা অশ্লীল ভাষায় ইংরেজি ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগকে খেলা শেষ করতে বলেন। তাদের খেলা শেষ হলে ইংরেজি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র খেলোয়াড়দের অশ্লীল ভাষা ব্যবহারের প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায় ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র খেলোয়াড়রা। এ সময় ধ্রুব নামে ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র এক শিক্ষার্থী ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষার্থীর নাকে ঘুষি মারেন। এতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে।

ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র খেলোয়াড় রাকিব হাসান বলেন, আজকে আমাদের জেলা সমিতি’র দুই গ্রুপের খেলা ছিল। খেলা চলাকালে পাশে থাকা ইংরেজি বিভাগের কয়েকজন আমাদেরকে বাজে ভাষায় স্লেজিং করতেছিল। এক পর্যায়ে আমাদের কয়েকজনের সাথে তাদের হাতাহাতি লাগে যায়। পরে হাতাহাতি থামানো হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে ইংরেজি বিভাগের বেশ কিছু শিক্ষার্থী এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের কয়েকজন আহত হয়। অপর দিকে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদেরকে অ্যালুমিনিয়াম রড দিয়ে মেরেছে ।

ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র খেলোয়াড়রা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষার্থী বলেন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাথে আমাদের বিভাগের একটা প্রীতি ম্যাচ ছিল। সেই ম্যাচ চলাকালে ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র কয়েকজন আমাদেরকে বাজে ভাষায় দ্রুত খেলা শেষ করতে বলেন। পরে আমাদের ১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের এক ভাই তাদের বাজে ভাষার প্রতিবাদ করলে তারা ভাইয়ের সাথে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। সেখানে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে এক পর্যায়ে তারা স্টেডিয়ামের গেইট বন্ধ করে আমাদেরকে রড ও লাঠি দিয়ে মারধর শুরু করে। তবে এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি নন ময়মনসিংহ জেলা সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক রুদাইয়া আখতার বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি। আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে রড দিয়ে মারা হয়েছে এমনটি শুনেছি। আমরা আগামীকাল বিভাগের শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।