• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২ দিন ছুটির বিষয়ে ভাবছে সরকার-ডা. দীপু মনি

Reporter Name / ১৫২ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুদিন ছুটির বিষয়ে ভাবছে সরকার

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন রাখার বিষয়ে চিন্তা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিশুক্রবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনার এবং বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির ১৭তম জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই দিন ছুটি থাকছে। এখন থেকে তা কার্যকর করা হবে কিনা বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছি।

মন্ত্রী বলেন, যে দেশ যত বেশি উন্নত হয়েছে, তাদের কারিগরি শিক্ষার হার তত বেশি। কারণ, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত কোনো লোক বেকার থাকে না। কিন্তু আমাদের পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে কারিগরি শিক্ষাদানের জন্য দক্ষ শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের অভাব রয়েছে। ল্যাব তৈরির জন্য টাকা দিয়েছে সরকার। তবে দক্ষ প্রশিক্ষক না থাকায় ১৩টি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দের টাকা ফেরত দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ২৩ জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টিএসসি স্থাপনের বিষয়ে ভাবছি। কারিগরি শিক্ষাকে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। এ শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসতে হবে। কারিগরি শিক্ষার যখন জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে, তখন এই সেক্টরের শিক্ষকদেরও মান-মর্যাদা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলবে না।

তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে দুই বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান বন্ধ ছিল। তাই শিখন ঘাটতি নিয়ে শঙ্কা ছিল। তবে আমাদের গবেষণা বলছে, করোনার কারণে আমাদের কোনো শিখন ঘাটতি হয়নি। বরং শাপে বর হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্ব-শিখনের দক্ষতা তৈরি হয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করে দিয়েছি। অনিবার্য কারণ না থাকলে এসএসসি পরীক্ষা সময়মতোই হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. ওমর ফারুক, বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির (বাপশিস) সভাপতি মো. আমান উল্লাহ খান ইউসুফজী প্রমুখ।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।