• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

‘ বড় ভাই বলেছিলেন ভারতের বিপক্ষে তোমাকে গোল করতে হবে ’

Reporter Name / ১৫১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০২২

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

ম্যাচে বাংলাদেশের পক্ষে দুটি গোলই করেছেন কুষ্টিয়ার কিশোর পিয়াস আহমেদ নোভা।  ভারত-বধের একমাত্র নায়ক লাল-সবুজ দলের এ ফরোয়ার্ড। ভারতের বিপক্ষে গোল করবে পিয়াস, ম্যাচের আগে এমন আশা করেছিলেন— এ ফরোয়ার্ডের বড় ভাই।  পিয়াস সে আশা পূরণ করেছেন। সেই কথা জানিয়ে ভারতকে হারানোর নায়ক পিয়াস গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আশা ছিল ভারতের বিপক্ষে গোল করব। সেটি পেরেছি। এ জন্য আমি খুশি। ম্যাচের আগে ফোন করে আমার ভাই বলেছিলেন, ভারত অনেক বড় দেশ। ওদের একটি প্রদেশের সমান আমরা। ভারতের বিপক্ষে তোমাকে গোল করতে হবে। আমি ভাইয়ের আশাও পূরণ করতে পেরেছি।’ এ ফরোয়ার্ড আরও বলেন, ‘ম্যাচে নামলে চেষ্টা করি গোল করতে। এর আগের ম্যাচে গোল পাইনি। ইচ্ছে ছিল ভারতের বিপক্ষে গোল করার। গোল পেয়ে অনেক ভালো লাগছে।’ ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের ভুবনেশ্বরের কালিঙ্গা স্টেডিয়ামে বুধবার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ইমরান খানের লম্বা পাস ধরে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ-পায়ের প্লেসিংয়ে গোল করেন ফরোয়ার্ড পিয়াস আহমেদ। পরের মিনিটেই গুরকিরাত সিংয়ের হেডে সমতায় ফেরে ভারত।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করে পিয়াস। ২-১ গোলে এগিয়ে থাকাটা ধরে রেখে ম্যাচ শেষে উল্লাসে ফেটে পড়েন লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। বাংলাদেশের এটি টানা দ্বিতীয় জয়। প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে শ্রীলংকাকে হারিয়েছিলেন পল স্মলির শিষ্যরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।