• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থীদের গণমাধ্যম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বিনিময়

Reporter Name / ১৪৪ Time View
Update : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম,কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে ‘মিডিয়া ভিজিট-২০২২:শেয়ারিং দ্যা এক্সপেরিয়েন্স’ শীর্ষক অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

রবিবার(৩ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা  ভবনের ১০৭ ও ১০৮ নম্বর কক্ষে এই অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম পরিদর্শন করে আসা ১২জন শিক্ষার্থী তাদের অভিজ্ঞতা বিভাগের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে বিনিময় করেন। গত ২১ ও ২২ জুন তারা ঢাকায় অবস্থিত দৈনিক প্রথম আলো ,এনটিভি, চ্যানেল টুয়েন্টিফোর ,দৈনিক সমকাল ও দৈনিক সময়ের আলোর প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে হাউজগুলো তাদের কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিভাগীয় শিক্ষক রমজান আলী স্লাইড প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন হাউজ ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। অভিজ্ঞতা বিনিময়কালে বিভাগের ১১তম সিমেস্টারের শিক্ষার্থী মো. হারুন- অর- রশিদ(রিহান) বলেন, গণমাধ্যম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা আসলেই অসাধারণ। প্রতিটি হাউজ আমাদের প্রতি অনেক বেশি আন্তরিক ছিলো। আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যম পরিদর্শন করতে যেয়ে রিপোর্টার থেকে শুরু করে সম্পাদক পর্যন্ত সকলের সাথে কথা বলার এবং কাজগুলো দেখার সুযোগ পেয়েছি। একজন দক্ষ সাংবাদিক হয়ে উঠতে হলে কি কি গুণাবলী থাকা প্রয়োজন সে সম্পর্কেও তাদের কাছে থেকে জানতে পেরেছি। তাদের আন্তরিকতা এবং কাজে মুগ্ধ হয়ে হাউজগুলোতে কাজ করার আগ্রহ কয়েকগুন বেশি বেড়ে গেছে। বিভাগের ৯ম সিমেস্টারের শিক্ষার্থী ইন্দ্রাণী সান্যাল বলেন, এতদিন আমার ধারণা ছিলো একজন নিউজ প্রেজেন্টার শুধুমাত্র কাগজ দেখে পুরো খবরটা পড়েন। কিন্তু গণমাধ্যম পরিদর্শনে যেয়ে আমার ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। একজন নিউজ প্রেজেন্টারকে শুধুমাত্র খবর পড়তে হয়না, রিপোর্ট লেখা থেকে শুরু করে সংবাদের খু্ঁটিনাটি সকল বিষয় জানতে হয়৷ এছাড়াও আমরা একজন প্রেজেন্টার কীভাবে নিউজ পড়ছেন সেটিও সরাসরি দেখেছি। এরকমই আরও অনেক বিষয় যা এতদিন বইতে পড়েছিলাম সেগুলো গণমাধ্যম পরিদর্শনে গিয়ে সরাসরি দেখতে পেয়েছি।

এছাড়াও বিভাগের ১১তম সিমেস্টারের শিক্ষার্থী- জেসমিন আরা ফেরদৌস, মো.মুত্তাকিন আলম, মো.আল-ফাহরিউল ইসলাম (রুইন), ১০ম সিমেস্টারের শিক্ষার্থী-মো. সিহাব আলী,খন্দকার অয়নী,মো.গোলাম রাব্বানী, মো.রিয়াজউদ্দীন ও ৯ম সিমেস্টারের শিক্ষার্থী-মোহাম্মদ জারিফ রাফিদ, মো. শাকিল মাহমুদ শুভ,আদিবা বাসারাত তিমা তাদের গণমাধ্যম পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে জার্নালিজম,কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক ছালমা জান্নাত ঊর্মি বলেন, প্রত্যেকটি হাউজে গিয়ে আমরা অনেক ভালো ট্রিটমেন্ট পেয়েছি। সবাই অনেক বেশি আন্তরিকতার সাথে আমাদের আপ্যায়ন করেছেন। আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে সবকিছু অত্যান্ত গুরুত্বসহকারে দেখানো হয়েছে। সব হাউজগুলো চেষ্টা করেছে শিক্ষার্থীদের সামনে প্রত্যেকটি জিনিস শিক্ষনীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলার। আশা করি শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে যেসব বিষয় শিখে এসেছে তা তাদের কর্মজীবনে সহায়ক হবে। সমাপনী বক্তব্যে বিভাগের কো-অর্ডিনেটর শাতিল সিরাজ বলেন, যারা সাংবাদিকতা ও মিডিয়া স্টাডিজ নিয়ে পড়াশোনা করে তাদের একাডেমিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অবশ্যই গণমাধ্যম পরিদর্শন করা উচিত। এতে করে সাংবাদিকতার প্রতি শিক্ষার্থীদের ঝোঁক বাড়বে বলে আমি মনে করি। সাংবাদিকতার বিভিন্ন কাজগুলো হাতে কলমে দেখতে ও জানতে পারবে। তিনি আরও বলেন,করোনা মহামারীর কারণে এবারের দেরিতে হলেও সফলভাবে গণমাধ্যম পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। তবে খুব শীঘ্রই অন্যান্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে আবারও বিভিন্ন গণমাধ্যম পরিদর্শন করতে যাওয়া হবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিভাগের প্রভাষক উজ্জ্বল হোসেন। এ সময় বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিভাগের বিভিন্ন সিমেস্টারের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।