• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

কোমায় সাবেক অসি ক্রিকেটার

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২২

হার্ট অ্যাটাক করে কোমায় চলে গিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের হেড কোচ ও অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটার রায়ান ক্যাম্পবেল। গত শনিবার হার্ট অ্যাটাক করার যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালের ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিতে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে তাকে।

বাচ্চাদের খেলার মাঠে নিজের সন্তানদের সঙ্গে খেলছিলেন ক্যাম্পবেল। সেখানেই হঠাৎ করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কোমায় চলে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জানা গেছে, এখনও কোমায় রয়েছেন ক্যাম্পবেল। তবে স্বস্তির বিষয় হলো চিকিৎসকদের টানা চেষ্টার পর নিজ থেকে শ্বাসপ্রশ্বাস চালু রয়েছে ক্যাম্পবেলের।

২০১৭ সালের এপ্রিল থেকে নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ক্যাম্পবেল। সম্প্রতি ডাচদের নিউজিল্যান্ড সফরেও তিনি দায়িত্বে ছিলেন। সেই সফর শেষ করে পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দেখা করতে ইউরোপ ভ্রমণে গিয়েছিলেন তিনি।

খেলোয়াড়ি জীবনে মারকুটে ব্যাটার হিসেবেই পরিচিত ছিলেন ক্যাম্পবেল। অ্যাডাম গিলক্রিস্টের দাপুটে ক্যারিয়ারের কারণে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পেরেছেন মাত্র দুইটি ওয়ানডে। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ঠিকই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন ক্যাম্পবেল। ২০০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুইটি ওয়ানডে খেলার প্রায় ১৪ বছর পর আবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেখা যায় তাকে। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৪৪ বছর বয়সে হংকংয়ের হয়ে খেলেছেন ক্যাম্পবেল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।