• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

ব্রাজিলের কোচ হচ্ছেন পেপ গার্দিওলা

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২

সন্দেহ নেই, পেপ গার্দিওলা বর্তমান সময়ের কোচদের মধ্যে অন্যতম প্রতিভাধর। বার্সেলোনা থেকে বায়ার্ন মিউনিখ হয়ে ম্যানচেস্টার সিটি, কোচ হিসেবে সাফল্যের বিজয়গাঁথা চলছেই তার। এমন একজনকে তো যে কোনো দলই অভিভাবক হিসেবে চাইবে! ব্রাজিলও নাকি স্প্যানিশ এই ফুটবল ব্যক্তিত্বকে কোচ হিসেবে চাইছে, বিনিময়ে থাকবে মোটা অংকের স্যালারিও।

গ্লোবো স্পোর্তের মতে, কাতার বিশ্বকাপ শেষে ব্রাজিল দলের কোচের পদ ছাড়বেন তিতে। তার জায়গায় বিদেশি কোনো কোচকেই বিবেচনা করছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এ সম্পর্কে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের পরিচালক জুনিনহো পলিস্তা বলেন, ‘তিতে হয়তো কাতার বিশ্বকাপের পরপরই জাতীয় দল থেকে বিদায় নেবে।’ ৬০ বছর বয়সি তিতের পরিবর্তে পেপ গার্দিওলা কোচ হলে সেটা ব্রাজিলের জন্য হবে সোনায় সোহাগা। ২০০২ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে শিরোপা নেই ব্রাজিলের। গার্দিওলা কোচ হলে তার হাত ধরেই সেই খরা কাটাতে পারে সেলেসাওরা। স্প্যানিশ দৈনিক মার্কার একটি প্রতিবেদন বলছে, গার্দিওলার ভাই ও তার এজেন্টের সঙ্গে নাকি ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন যোগাযোগও করেছে। চার বছরের চুক্তিতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত পেপকে পেতে চায় তারা। গার্দিওলা চুক্তিতে সই করলে প্রতি বছর পাবেন ১২ মিলিয়ন ইউরো করে। গার্দিওলাকে পেতে খুবই আশাবাদী ব্রাজিল। তবে ঝামেলা অন্য জায়গায়। ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ ২০২৩ সাল নাগাদ। অর্থাৎ চুক্তির মেয়াদ শেষ না হলে তার সঙ্গে ব্রাজিলের সম্মতিতে পৌঁছার ব্যাপারটি কিছুটা ঝামেলাপূর্ণই।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।