• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

কলকাতাকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় পেল বেঙ্গালুরু

Reporter Name / ১৪৩ Time View
Update : বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২

কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে স্বল্প লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামলেও শুরুতেই টপ অর্ডারের ব্যাটারদের হারিয়ে চাপে পড়ে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। তবে মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা চাপ সামলে দলকে লড়াইয়ে ফেরান। বোলার-ব্যাটারদের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত শ্রেয়াস আইয়ারদের ৩ উইকেট হারিয়ে আসরে প্রথম জয় তুলে নেয় ডু প্লেসির দল ।

বুধবার (৩০ মার্চ) ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ১২৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ৪ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দীনেশ কার্তিক ৭ বলে ১৪ ও হার্শাল প্যাটেল ৬ বল মোকাবেলা করে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন।

নাইট রাইডার্সের হয়ে টিম সাউদি ২০ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেন। উমেশ যাদভ তার পূর্ণ স্পেল শেষ করেছেন ১৬ রান খরচায় ২ উইকেট শিকারের মাধ্যমে।

এর আগে মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কলকাতা। ভেঙ্কাটেস আইয়ার ১০, আজিঙ্কা রাহানে ৯, নিতিশ রানা ১০, শ্রেয়াস আইয়ার ১৩, সুনীল নারিন ১২ রান করে আউট হন। শেলডন জ্যাকসন নামের পাশে কোনো রানই যোগ করতে পারেননি।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন আন্দ্রে রাসেল। শেষদিকে উমেশ যাদবের কল্যাণে ১২৮ করতে সক্ষম হয় কলকাতা। যাদব ১২ বলে করেন ১৮ রান। বাকিদের মধ্যে স্যাম বিলিংস ১৪ ও বরুন চক্রবর্তী ১০ রান করেন। বেঙ্গালুরুর হয়ে ২০ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। আকাশ দীপ পান তিন উইকেট। দুটি উইকেট পান হার্শাল প্যাটেল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।