• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশেকে ৮ উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তান

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : শনিবার, ৫ মার্চ, ২০২২

সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৪ বল হাতে রেখে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে আফগানিস্তান। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয় দুই দলের মধ্যকার দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি।

এর আগে মিরপুরে শনিবার (৫ মার্চ) সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে হযরাতুল্লাহ জাজাইয়ের অপরাজিত ৫১ ও রহমানুল্লাহ গুরবাজের ৪৭ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ১৭ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে আফগানদের সংগ্রহ ১২১ রান। বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে শেখ মেহেদী ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ একটি করে উইকেট শিকার করেন।

তবে এক ম্যাচে চারটা ক্যাস মিস না করলে হয়তো ম্যাচের ফলটা ভিন্ন হতে পারতো। ক্যাস মিসের মহড়ায় প্রথম নাম লেখান আগের ম্যাচে জয়ের নায়ক নাসুম আহমেদ।। দ্বিতীয় ইনিংস শুরুর তৃতীয় বলে নাসুমকে হিট করতে গিয়ে বল আকাশে তুলে দেন হযরতুল্লাহ জাজাই। বল হাতে আসলেও মিস করেন বোলার নিজেই। এরপর ইনিংসের দশম ওভারে শরিফুলের বলে আবারও ক্যাস মিস করে নাসুম। এরপর ১২তম ওভারে বাউন্ডারিতে ক্যাস মিস করে আফিফ। এবারও ব্যাটার গনি। শেষ ক্যাচটা মিস করেন নাঈম শেখ।

এর আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য ১১৬ রান করতে হবে সফরকারী দলকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।