• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

নতুন দল পাওয়ার পর ভারতে যাচ্ছেন মাশরাফী

Reporter Name / ১৪৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ, ২০২২
Mashrafe Bin Mortaza

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে নতুন দল পেয়েছেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। আগের আসরে শেখ জামাল ধানমণ্ডির হয়ে খেলা এই ক্রিকেটারকে এবার দেখা যাবে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের জার্সিতে।

বুধবার (২ মার্চ) ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দলবদলে নতুন দলের সঙ্গে চুক্তি করেছেন তিনি। এদিকে, চোটে ভুগতে থাকা এই তারকা চিকিৎসার জন্য বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) ভারতের উদ্দেশে রওনা দেবেন।

জাতীয় দলের ক্রিকেট থেকে অনেক দূরে ম্যাশ। যদিও তিনি খেলেছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে। এবার ঢাকা ডিভিশন ক্রিকেট লিগেও খেলার ইচ্ছা তার। তাই টুর্নামেন্টে দল নিশ্চিত হওয়ার পর ভারতে গিয়ে চিকিৎসা করানোর কথা জানালেন তিনি।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দলবদল করতে এসে মাশরাফী বলেন, ‘দলের প্রয়োজন হলে অবশ্যই করব। আমার কোমড়ে ব্যথা আছে একটু। চিকিৎসা করাতে যাচ্ছি। আশা করি সব ঠিক হলে শারীরিকভাবে ফিট হয়ে উঠব। ক্রিকেটীয় যে কার্যক্রম বা অন্য যেসব বিষয় আছে আমি সেসব নিয়ে মাঝখানে ট্রেনিং করেছি। যথেষ্ট টুর্নামেন্ট ছিল না খেলার সুযোগ কম ছিল। বিপিএল ছিল, ওই সময় ব্যাক পেইনটা পেয়েছি। ওটার চিকিৎসাটা করার পর আশা করি সমস্যা হবে না।’ জাতীয় দলের ওয়ানডের সফল অধিনায়ক এর আগে আরও বলেন, ‘শেষবার আমি শেখ জামাল ধানমন্ডির হয়ে খেলেছিলাম, এক ম্যাচ খেলার পর করোনা আসে। তখন টুর্নামেন্ট বন্ধ হয়ে যায়। খুবই ভালো লাগছে। শুধু আমার না। আমি নিশ্চিত প্রিমিয়ার লিগ যারা খেলে, বাংলাদেশের বেশিরভাগ ক্রিকেটারই তো এই লিগটা খেলে। তারা সবাই আনন্দিত হবে যে আবারও টুর্নামেন্টটা শুরু হতে যাচ্ছে।’ মাশরাফী বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি থেকে অনেক আগেই অবসরে গিয়েছি। ওয়ানডেই আমি সবসময় খেলে এসেছি এবং আমার ফোকাস ছিল। এটা নির্ভর করে একজন নির্দিষ্ট খেলোয়াড় নির্দিষ্ট ফরম্যাটে কীভাবে মানিয়ে নেয়। ওয়ানডে ক্রিকেটই আমি সবসময় খেলে এসেছি এবং আমি বুঝিও ভালো, আমার জন্য সহজও।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।