• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মাশরাফিকে পেয়ে খুশি তামিম-রিয়াদ

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১

২০২০ সালে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে একই দলে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজা। সেবারই প্রথম ঘরোয়া ক্রিকেটে একসঙ্গে খেলেছেন জাতীয় দলের তিন অভিজ্ঞ তারকা।

এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বিপিএলে একই দলে পড়েছেন মাশরাফি, মাহমুদউল্লাহ ও তামিম ইকবাল। সোমবার দুপুরে হওয়া প্লেয়ার্স ড্রাফটে জাতীয় দলের এ তিন তারকাকে নিয়ে দল সাজিয়েছে ঢাকা। আর এ বিপিএল দিয়েই দীর্ঘদিন পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরছেন মাশরাফি। বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগে রোববার রাতে বদলে গেছে ঢাকার মালিকানা। রুপা ও মার্ন গ্রুপ যথাযত শর্তপূরণে ব্যর্থ হওয়ায় খোদ বিসিবিই নিয়েছে ঢাকার দল পরিচালনার দায়িত্ব। তারা প্রথমেই অটো চয়েজ হিসেবে দলে নিয়েছে জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে। এরপর ড্রাফট থেকে নিজেদের প্রথম ডাকে তামিম ও তৃতীয় ডাকে মাশরাফিকে নিয়ে অভিজ্ঞ তারকাদের মেলা বসায় ঢাকা। ড্রাফটে ঢাকার টেবিলে শুরু থেকেই ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। আজ তামিমকে নেওয়ার পর তিনিও যোগ দেন ঢাকার টেবিলে। পরে বাকি দল গঠনে দেন নিজের পরামর্শও। ড্রাফট শেষে তামিম-রিয়াদ দু’জনের কণ্ঠেই শোনা গেছে নিজেদের দল নিয়ে সন্তুষ্টির কথা। বিশেষ করে আবার মাশরাফির সঙ্গে খেলতে পারার উচ্ছ্বাসটা আড়াল করেননি তারা। আশাতীতভাবে একই দলে পড়ার পর হার-জিতের চেয়ে উপভোগ করার দিকেই মনোযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন তামিম।

তার ভাষ্য, ‘এরকম তো প্রত্যাশা করা যায় না আসলে। সাধারণ যেটা হয় আমরা তিনজন তিন দলে থাকি। এবার সৌভাগ্যবশত হয়েছে, খুব খুশি। আমার মনে হয় ক্রিকেটে জেতা-হারাটা তো সব না। ক্রিকেটে উপভোগ করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তিনজন একসঙ্গে থাকল এমনিতেই উপভোগ করবো।’ এ সময় দল সম্পর্কে মূল্যায়ন জানিয়ে তামিম বলেন, ‘দল ভালো, চ্যাম্পিয়ন হবো কি হবো না এটা অনেক পরের কথা। আপনি সেরা দলটা বানাতে পারেন, কিন্তু তারা ভালো করবে কি না সেটা বলতে পারবেন না। খুব বেশি ভালো টিমও না- এমন দলও ভালো করতে পারে। ডিপেন্ড করবে আমরা কিভাবে খেলি। দল নিয়ে অনেক খুশি, কিন্তু আমাদের ভালো খেলতে হবে।’ অন্যদিকে রিয়াদের বিশ্বাস বিপিএলে ভালো করবেন তারা, ‘সবসময়ই বিশ্বাস ছিল আবার (মাশরাফির সঙ্গে) একসঙ্গে খেলতে পারব। আলহামদুলিল্লাহ আবার একসঙ্গে খেলতে পারছি। তামিমও আমাদের সঙ্গে আছে। অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা আমাদের টিমে বেশি তো আমি আশা করি মাঠে যদি এটা কাজে লাগাতে পারি আমাদের ভালো ফলাফল করার সম্ভাবনা আছে, বিশ্বাস করি।’ মাশরাফির সঙ্গে একই দলে খেলার ব্যাপারে তার ভাষ্য, ‘এটা আমরা সবসময় উপভোগ করি মাশরাফি ভাইয়ের সঙ্গে খেলা বা উনার অধীনে খেলা। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ যেটি হলো তখনও খুব ভালো সময় আমরা কাটিয়েছি, ভালো ক্রিকেটও খেলতে পেরেছি। আশা করি ওইরকম ভালো একটা পরিবেশ যেন এই দলেও তৈরি করতে পারি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।