• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

দুঃসংবাদ পেলেন বাবর আজম

Reporter Name / ১৪২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১

সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দারুণ ছন্দে ছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বাবর আজম। দলকে যেমন সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তেমনি ব্যাট হাতেও একের পর এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।কিন্তু বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশ সিরিজ এবং ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে যেন নিজেকেই হারিয়ে খুঁজছেন তিনি। করতে পারছেন না নিজের নামের প্রতি সুবিচারও। আর তারই প্রতিফলন দেখা গেল টি-টোয়েন্টির ব্যাটিং র‌্যাঙ্কিংয়েও। টানা ব্যর্থতার মাশুল দিয়ে টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান খোয়াতে হয়েছে পাক অধিনায়ককে।

এক থেকে দুই ধাপ নিচে নেমে গেছেন বাবর। তার বর্তমান অবস্থান তৃতীয়। এদিকে, বাবরের সিংহাসন নিজের দখলে নিয়েছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান ডেভিড মালান। এছাড়া দ্বিতীয় অবস্থানে দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মার্করাম। বাবর সিংহাসন হারালেও দুর্দান্ত ফর্মে থাকা আরেক পাক ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। তিনি আছে চতুর্থ পজিশনে। এছাড়া ভারতের কে এল রাহুলের অবস্থান তারপরই। অর্থাৎ পঞ্চম। এছাড়া ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন অজি ক্যাপ্টেন অ্যারন ফিঞ্চ। সাতে কিউই উইকেটকিপার ব্যাটার ডেভন কনওয়ে। তবে সেরা দশে নেই বিরাট কোহলি।  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ ছন্দে থাকলেও গত বাংলাদেশ সিরিজ থেকেই যেন ছন্দহীন তিনি।  ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে শূন্য রানে ফেরার পর দ্বিতীয়টিতেও ৭ বলে মাত্র ৭ রান করেছেন। দলীয় অধিনায়ক রানখরায় ভুগলেও বাইশগজে দারুণ সময় কাটছে পাকিস্তানের। সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই উড়ছে বাবর আজম বাহিনী। এবার ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও ধরাশায়ী করল তারা। এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিয়েছে তারা। মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয়টিতে আগে ব্যাট করে পাকিস্তান করে ১৭২ রান। জবাবে উইন্ডিজরা থেমেছে ১৬৩ রানে। অর্থাৎ ৯ রানের ব্যবধানে হার সফরকারীদের। এদিকে, এক বছরে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতার রেকর্ড গড়ল ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দল পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের রেকর্ড ভেঙেই নতুন রেকর্ড গড়ল তারা। এর আগে এক বছরে সবচেয়ে বেশি জয়ের রেকর্ডও ছিল পাকিস্তানেরই নাম। ২০১৮ সালে ১৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতেছিল তারা। মিরপুরে বাংলাদেশকে তিন ম্যাচ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে বাবর আজমের দল সেই রেকর্ডে ভাগ বসায়


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।