• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

ম্যাচের শেষ দিনে ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় বাংলাদেশ কোচ

Reporter Name / ১৩৮ Time View
Update : সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১

প্রথম ইনিংসে তাইজুল ইসলাম, এবাদত হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজরা ম্যাচের তৃতীয় দিন ৫৮ ওভারে ১৪১ রানে পাকিস্তানের ১০ উইকেটের পতন ঘটিয়েছিলেন। তাইজুল একাই নিয়েছেন ৭ উইকেট। এখন ম্যাচের শেষ দিন পাকিস্তানের চাই ৯৩ রান, হাতে আছে ১০ উইকেট।

খালি চোখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের হাতে। তাদের দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিক ১০৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে উইকেটে থিতু হয়ে গেছেন। এরকম অবস্থায় অতিনাটকীয় কিছু ঘটলেই কেবল বাংলাদেশের সম্ভাবনা থাকবে, না হয় ম্যাচ পাকিস্তানিদের।

সেই অলৌকিকতায় ভরসা রেখে বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো এখনও আশা ছাড়েননি। তার অনুভব, এখনও বাংলাদেশের সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি। তার কথা, ‘পাকিস্তানের ৯৩ রান প্রয়োজন। এরকম অবস্থায় বিশেষ কিছু করা জরুরী। কেবল তখনই আমাদের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।’

ডোমিঙ্গোর আশা, ‘ক্রিকেটে সবই সম্ভব। আমাদের ভাবতে হবে আমাদের সম্ভাবনা এখনও আছে। যদি শেষ দিন সকালে আধঘন্টার মধ্যে একাধিক উইকেটের পতন ঘটাতে পারি, তাহলে যে কোন ঘটনা যেতে পারে।’

প্রথম ইনিংসে এর চেয়েও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে একে একে সাজঘরে ফিরেছেন পাকিস্তানি ব্যাটাররা। আবিদ, শফিক ও ফাহিম আশরাফ ছাড়া কেউ রান করতে পারেননি। এটা ঠিক যে সোমবার হঠাৎ উইকেট ভালো আচরণ করেছে।

রোববার যেভাবে বল সাপের মত একে বেঁকে গেছে, মাঝেমধ্যে স্পিনারদের বল গ্রিপ করেছে, একটু ওঠানামাও করেছে; আজ কিছুই হয়নি। শেষ দিনও যাদ তাই থাকে, পিচ থেকে বোলাররাও একটুও যদি সহায়তা না পান- তাহলে ডোমিঙ্গোর সেই অবিশ্বাস্য কিছুর আশা দূরাশায় পরিণত হবে। দেখা যাক, আসলে কী হয়?


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।