• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে বিশ্বসেরা সাকিব

Reporter Name / ১৫১ Time View
Update : রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উইকেটের হিসাবে পাকিস্তানের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে গেলেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপে আফ্রিদির ৩৯ উইকেট ছাড়িয়ে গিয়ে বাংলাদেশ অলরাউন্ডারের উইকেটসংখ্যা এখন ৪১।

রোববার (২৪ অক্টোবর) সুপার টুয়েলভে শ্রীলঙ্কার পাথুম নিশাঙ্কাকে আউট করেন তিনি। সাকিবের প্রথম বলটিই উড়িয়ে খেলতে গিয়ে মিডল স্টাম হারান নিশাঙ্কা। ফেরার আগে ২১ বলে ২৪ রান করেন লঙ্কান ওপেনার। ওভারের চতুর্থ বলে তিনি বোল্ড করেন আভিস্কা ফার্নান্দোকেও। এই ম্যাচে এখন পর্যন্ত ২ উইকেট নিতে ২ ওভারে ৬ রান দিয়েছেন বাংলাদেশ অলরাউন্ডার পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ম্যাচে সাকিব সর্বোচ্চ উইকেটের হিসাবে শহীদ আফ্রিদিকে ধরেছিলেন। পিএনজির বিপক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি। আর তাতেই শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৩৯ উইকেটের মালিক বনে যান। তবে একটি জায়গায় এগিয়ে সাকিব। ৩৯ উইকেট পেতে আফ্রিদির লেগেছে ৩৪ ম্যাচ। সাকিব ২৮ ম্যাচেই তা ছুঁয়ে ফেলেছেন। এর আগে তিনি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সর্বোচ্চ উইকেটের হিসাবে সাকিব টপকেছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক পেস কিংবদন্তি লাসিথ মালিঙ্গাকে। মালিঙ্গার ১০৭ উইকেট টপকে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সাকিবের উইকেট এখন ১১৫টি। এবারের আসরে আরও কয়েকটি মাইলফলক অপেক্ষা করছে সাকিবের জন্য। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ব্যাটার এবি ডি ভিলিয়ার্সকে পেছনে ফেলার সুযোগ রয়েছে তার সামনে। ফর্ম ধরে রাখতে পারলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের হিসাবে প্রোটিয়া কিংবদন্তিকে টপকে যাবেন বাংলাদেশ অলরাউন্ডার। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্ব আসরে এবি ডি ভিলিয়ার্স করেছেন ৭১৭ রান। ৩০ ম্যাচের ২৯ ইনিংসে তিনি এই রান করেন, যার গড় ২৯.৮৭। সর্বোচ্চ রানের হিসাবে সাকিব আল হাসান এখন ৬৮৫ রান নিয়ে ভিলিয়ার্সের পরেই অবস্থান করছেন। ২৯ ম্যাচের ২৯ ইনিংসে সাকিবের গড় ২৮.৫৪। ভিলিয়ার্সের স্ট্রাইকরেট ১৪৩.৪০ হলেও সাকিবের স্ট্রাইকরেট ১২৬.৬১। পরিসংখ্যানের হিসাবে ভিলিয়ার্সের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে দুটি জায়গায়। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ অলরাউন্ডারের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি ৮৪। এবি ডির সবচেয়ে বড় স্কোরটি ৭৯। চার হাঁকানোর দিক দিয়েও ভিলিয়ার্সের চেয়ে এগিয়ে সাকিব। সাকিবের চার ৫৬টি হলেও ভিলিয়ার্স হাঁকিয়েছেন ৫১টি চার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকদের মধ্যে সাকিব এখন ষষ্ঠ স্থানে। ভিলিয়ার্স ছাড়াও সাকিবের চেয়ে বেশি রান আছে মাহেলা জয়াবর্ধনে, ক্রিস গেইল, তিলকারত্নে দিলশান ও বিরাট কোহলির। মাহেলা জয়াবর্ধনের ১০১৬, ক্রিস গেইলের ৯২০, তিলকারত্নে দিলশানের ৮৯৭ ও বিরাট কোহলির নামের পাশে রয়েছে ৭৭৭ রান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।