• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

উৎসাহ যোগাতে বিশ্বকাপের থিম সং

Reporter Name / ১৪৮ Time View
Update : রবিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১

আসন্ন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে লড়তে যাচ্ছে টাইগারদের দল। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে উৎসাহ যোগাতে নির্মাণ করা হয়েছে বিশেষ থিম সং। সোহেল রাজের গাওয়া এই গান ইতোমধ্যে ক্রীড়াপ্রেমীরা গ্রহণ করতে শুরু করেছেন। মাঠে ঘাটে বাজছে ‘ঘুর্ণিপাকে ঘুরছে বল, চার ছক্কায় গ্যালারি উত্তাল’ বাজছে। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে এখন একই সুর, একই তাল।

সোহেল রাজের সঙ্গে এই গানে কণ্ঠ মিলিয়েছেন সম্প্রীতি সাহা। সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন সোহেল নিজেই। ‘ঘূর্ণিপাকে ঘুরছে বল,  চার ছক্কায় গ্যালারি উত্তাল, ঘূর্ণিপাকে ঘুরছে বল, ব্যাটে বলে ছক্কা উড়াল, নক উঁচিয়ে আম্পায়ার কল, নেমেছে আজ বাংলারই দল, সবুজ মাঠে শহর ঘাটে দেখবে সবাই খেলছে দামাল, সবুজ মাঠে শহর ঘাটে
দেখবে সবাই বিশ্বে উত্তাল,  বাংলাদেশ কোটি মানুষ আছে তোমার সাথে, বাংলাদেশ ছারিয়ে যাও যত, সীমানার শেষ…’  সোহেল রাজ বলেন, দারুণ উন্মাতাল একটি গান, ‘শুনলেই দেশের ক্রিকেটের প্রতি আবেশ তৈরি হবে। টাইগাররা খেলবে গ্যালারিতে এটা উৎসাহ যোগাবে বাইরে থেকে। আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে এর সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছি। বাকিটা ক্রিকেটের দর্শকরা বলতে পাড়বেন কেমন হয়েছে। জানা গেছে, বিশ্বকাপ চালকালীন গানটি সবখানেই বাজবে। আর এজন্যই নির্মাণ করা হয়েছে একটি ব্যয়বহুল মিউজিক ভিডিও। ভিডিওটি পরিচালনা করেছে সাফায়েত হোসেন শাওন। ভিডিও ধারণ করেছেন তিন দেশের ডিওপি, বাংলাদেশের কাওসার হামিদ, কানাডার প্রোজেশ কুমার, ও সুইডেনে বসবাসরত রিয়াজ। ভিডিওটি প্রযোজনা করেছে স্টারলাইন গ্রুপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।