• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

শেষ বলের নাটকীয়তায় দিল্লিকে হারাল ব্যাঙ্গালুরু

Reporter Name / ১৪৭ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১

গ্রুপ পর্বের শীর্ষস্থান আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। আগেরদিন পাঞ্জাব কিংসের কাছে চেন্নাইয়ের হারের পরই এটা নিশ্চিত হয়ে যায়। তবে আজ বিরাট কোহলিদের সামনে সুযোগ ছিল দ্বিতীয় স্থানে ওঠার। তাতে আইপিএল প্লে-অফে দুটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতো তারা।

কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় পেলেও লাভ হয়নি। রান রেটে পিছিয়ে থাকার কারণে তিন নম্বরেই থাকতে হলো বিরাট কোহলিদের। সমান ১৮ পয়েন্ট চেন্নাই সুপার কিংসের সাথে। কিন্তু রান রেটে অনেক পিছিয়ে ব্যাঙ্গালুরু।

দিল্লির ছুঁড়ে দেয়া ১৬৪ রানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে নেমে একেবারে শেষ বলে ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করে ব্যাঙ্গালুরুর ব্যাটসম্যান স্রিকার ভারত। শেষ ওভারে রান প্রয়োজন ছিল ১৫। আভেশ খানের বলে ১৬ রান তুলে নেয় গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং স্রিকার ভারত।

শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৫ রান। বাউন্ডারি হলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। কিন্তু উইকেট সেট হওয়া স্রিকার ভারত কোনো ঝুঁকিই নিলেন না। বলকে সোজা পাঠিয়ে দিলেন বোলারের মাথার ওপর দিয়ে বাউন্ডারির ওপারে। ছক্কা। সে সঙ্গে ৭ উইকেটের জয় ব্যাঙ্গালুরুর।

১৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ব্যাঙ্গালুরু শুরুতেই দেবদুত পাডিক্কাল এবং বিরাট কোহলির উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে। পাডিক্কাল শূন্য, কোহলি করেন ৪ রান। এরপর এবি ডি ভিলিয়ার্স এবং স্রিকার ভারত মিলে জুটি গড়ে ৪৯ রান তোলেন। এরপর ২৬ বলে ২৬ রান করে ডি ভিলিয়ার্স আউট হয়ে গেলেও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আর স্রিকার ভারত মিলে ১১১ রানের জুটি গড়ে ব্যাঙ্গালুরুকে জয় এনে দেন।

৫২ বলে ৭৮ রান করে অপরাজিত থাকেন স্রিকার ভারত। ৩টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৪টি ছক্কার মার মারেন তিনি। ম্যাক্সওয়েল ৩৩ বলে খেলেন ৫১ রানের ইনিংস। তিনি অপরাজিত থাকেন ৮টি বাউন্ডারি মেরে। এর আগে দুবাইতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান করে দিল্লি ক্যাপিটালস। পৃথ্বি ’শ ৪৮, শিখর ধাওয়ান ৪৩ রান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।