• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

আইপিএলে নেতৃত্ব ছাড়ছেন কোহলি

Reporter Name / ১৪২ Time View
Update : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

এক সপ্তাহেই বড় দুটি ঘোষণা দিলেন বিরাট কোহলি। গত বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়েছিলেন, আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কের পদ থেকে সরে যাবেন। রোববার আইপিএল ২০২১-এর দ্বিতীয় পর্ব শুরুর দিনই তিনি জানালেন, এই মৌসুমের পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়কত্বও ছেড়ে দেবেন তিনি।

জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর আশঙ্কা করা হচ্ছিল, ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়কের পদ থেকেও সরে দাঁড়াতে পারেন কোহলি। শেষমেশ সেই আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণিত হয়।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে কোহলি জানিয়ে দেন নিজের সিদ্ধান্তের কথা।

কোহলি বলেন, ‘আরসিবি পরিবার, ব্যাঙ্গালুরুর অসাধারণ সমর্থকদের উদ্দেশে আজ আমি একটা ঘোষণা করতে চাই। আজ বিকেলেই গোটা দলের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার আগে আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, এটাই অধিনায়ক হিসেবে আরসিবিতে আমার শেষ মৌসুম। আজ বিকেলেই টিম ম্যানেজম্যান্টের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই এই সিদ্ধান্তের কথা চিন্তাভাবনা করছিলাম।’

কোহলি আরো বলেন, ‘কিছুদিন আগেই টি-টোয়েন্টিতে জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছি যাতে অনেক বছর ধরে আমার উপরে চেপে থাকা দায়িত্ব ভার কিছুটা কমে। যে দায়িত্ব আমার উপরে রয়েছে তা আরও ভাল ভাবে পালন করতে চাই। নিজেকে তরতাজা রাখতে, মানসিক ভাবে ঠিক রাখতে এবং ভবিষ্যতে কী করতে চাই সেটার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সামনের বছর আরসিবিতে সবকিছুই একটা বদলের মধ্যে দিয়ে যাবে। বড় নিলাম হতে চলেছে। আমি ম্যানেজমেন্টকে এটাও জানিয়েছি যে, আরসিবি ছাড়া অন্য কোনও দলে নিজেকে দেখার কথা ভাবতেও পারি না। প্রথম দিন থেকেই সেটা আমার দায়বদ্ধতা। আইপিএলের শেষ পর্যন্ত নিজেকে আরসিবির ক্রিকেটার হিসেবেই দেখতে চাই। ৯ বছরের একটা দারুণ যাত্রা শেষ হল। খুশি, দুঃখ দুটোই দেখতে পেয়েছি সামনে থেকে। আমাকে সমর্থন করার জন্য এবং আমার উপরে আস্থা রাখার জন্য হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে প্রত্যেককে ধন্যবাদ।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।