• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

মেসি-নেইমার-এমবাপেকে নিয়েও হারের স্বাদ পেল পিএসজি

Reporter Name / ১৪৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর হয়ে আগেই অভিষেক হয়েছিল লিওনেল মেসি। এবার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগেও পিএসজির হয়ে মাঠে নামলেন তিনি। এ ম্যাচে পাশে পেলেন দলের অন্য দুই বড় তারকা নেইমার জুনিয়র এবং কাইলিয়ান এমবাপেকেও। কিন্তু তারকাখচিত ফরোয়ার্ড লাইন নিয়েও জয় পায়নি পিএসজি।

বুধবার রাতে ক্লাব ব্রুজের বিপক্ষে এমএনএম (মেসি-নেইমার-এমবাপে) ত্রয়ীকে শুরুর একাদশে রেখেই ম্যাচ শুরু করেছিলেন পিএসজি কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো। কিন্তু নিজের ছায়ায় আটকে ছিলেন মেসি, ছন্দ খুঁজে পাননি নেইমার-এমবাপেরাও। তাই ফলও আসেনি পিএসজির পক্ষে, ড্র দিয়ে শুরু হলো তাদের চ্যাম্পিয়নস লিগ যাত্রা।

ম্যাচের শুরুতেই গোল করেছিলেন এন্ডের হেররেরা। সেটিই শেষ পর্যন্ত পিএসজিকে এনে দিয়েছে একটি পয়েন্ট। তবে অ্যাওয়ে ম্যাচে হার এড়ানোয় ঘরের মাঠে আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামতে পারবে পিএসজি। ক্লাব ব্রুজের পক্ষে সমতাসূচক গোলটি করেছেন হান্স ভানাকেন।

ক্লাব ব্রুজের গ্যালারিতে এক দর্শকের হাতে প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিলো, ‘আমাদের দয়া করো, মেসি।’ জাদুকরী পারফরম্যান্সে ব্রুজকে ধরাশায়ী করবেন মেসি- এমন শঙ্কা থেকেই হয়তো প্ল্যাকার্ডটি এনেছিলেন সেই দর্শক। জাদুকরী পারফরম্যান্স দূরে থাক, নিজের স্বাভাবিক ছন্দময় খেলাও উপহার দিতে পারেননি মেসি।

উল্টো ম্যাচের ৭২ মিনিটের সময় হতাশা থেকে মাঝমাঠে ব্রুজের খেলোয়াড়কে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। এর মিনিট দুয়েক আগে অবশ্য তার একটি জোরালো আক্রমণ প্রতিহত হয় ব্রুজের রক্ষণে। সেই হতাশা থেকেই ফাউলটি করেছিলেন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ম্যাচের শুরুতেই দলকে পিএসজিকে এগিয়ে দিয়েছিলেন হেররেরা। বাম পাশ দিয়ে আক্রমণে উঠেছিলেন এমবাপে। দুই ডিফেন্ডারকে পাশ কাটিয়ে বল এগিয়ে দেন ডি-বক্সে অপেক্ষায় থাকা হেররেরার উদ্দেশ্যে, নিখুঁত শটে বাকি কাজ সারেন এ মিডফিল্ডার। শুরুর গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি।

তবে বেশিক্ষণ লিডে থাকতে পারেনি তারা। ম্যাচের ২৭ মিনিটের সময় সমতা ফেরান ভানাকেন। তার শট পিএসজির এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কিছুটা দিক বদলে জড়িয়ে যায় জালে। এর মিনিট দুয়েক পর মেসির শট ক্রসবারের ওপরের দিকে চলে যায় বাইরে। হতাশা বাড়ে পিএসজির।

পুরো ম্যাচে পিএসজির ওপর আধিপত্য বিস্তার করেই খেলেছে ক্লাব ব্রুজ। বল দখলের লড়াই ফ্রান্সের ক্লাবটি এগিয়ে থাকলেও, আক্রমণ করতে পারেনি তেমন। তাদের ৯টি প্রচেষ্টার মাত্র ৪টি ছিলো লক্ষ্যে। অন্যদিকে সারা ম্যাচে ১৬টি প্রচেষ্টার মধ্যে ৭টিই লক্ষ্যে রেখেছিল ব্রুজ। কিন্তু একটির বেশি গোল পায়নি কোনো দলই।

‘এ’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে আরবি লাইপজিগকে ৬-৩ গোলের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে ইংলিশ জায়ান্ট ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।