• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

ভারতের কোচ হচ্ছেন ধোনি

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আগেই জানা গিয়েছিল, ভারতের কোচের দায়িত্ব ছাড়ছেন রবি শাস্ত্রী। দেশটির সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই তার বিদায়ী মঞ্চ হতে যাচ্ছে। এদিকে বিরাট কোহলিদের নতুন কোচ হিসেবে এত দিন রাহুল দ্রাবিড়ের নাম শোনা গেলেও এখন জোরালো গুঞ্জন এমএস ধোনিকে নিয়ে। বিশ্বকাপে ধোনির ‘মেন্টর’ হওয়া যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী বলেই জোরালো গুঞ্জন উঠেছে।

এদিকে, শাস্ত্রীর বিদায়ের খবর চাউর হতেই জল্পনা শুরু হয় তার উত্তরসূরি কে হবেন তা নিয়ে। এত দিন সবাই একজনের দিকেই আঙুল তাক করে রেখেছিলেন। সবাই ধরেই নিয়েছিল, গত কয়েক বছর ধরে দেশের তরুণ ক্রিকেটারদের সামলানো, জাতীয় ক্রিকেট একাডেমির প্রধান এবং দলের ভেতরে-বাইরে ভীষণভাবে গ্রহণযোগ্য রাহুল দ্রাবিড়কেই নিয়ে আসা হবে। এমনকি সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতের মূল দলেরও কোচ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তবে সমস্যা হচ্ছে, পরিবারের কাছ থেকে এতটা সময় বাইরে-বাইরে কাটাতে দ্রাবিড় রাজি হবেন কি না, পরিষ্কার নয়। আর তাই নতুন একটি নামের দিকে এখন সবার নজর -মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার এমন দাবিই করেছে। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ধোনির ‘মেন্টর’ হওয়া যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করা হচ্ছে। ক্রিকেটবোদ্ধাদের মতে, ধোনি এখনো নিয়মিত ফ্রাঞ্চাইজি লিগ আইপিএল খেলছেন, তারপরও বিসিসিআইয়ের অনুরোধে দলের মেন্টর হওয়ার দায়িত্ব নিতে রাজি হওয়ার অর্থ, তিনিও হয়তো ক্রিকেট-পরবর্তী জীবন নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন। তবে পাকাপাকিভাবে জাতীয় দলের কোচ হতে গেলে তাকে অবশ্য চেন্নাই সুপার কিংসের হলুদ জার্সি খুলে রাখতে হবে। ধোনি-ঘনিষ্ঠরা যা নিয়ে বলছেন, কতদিনই বা আর তিনি খেলবেন? খুব জোর হয়তো এটাই শেষ বছর। কোহলিদের ড্রেসিংরুমে ঢুকতে গেলে সিএসকের সঙ্গে অন্য কোনোভাবেও যুক্ত থাকাও চলবে না। তাহলেই ফের স্বার্থ-সংঘাত নামক বাউন্সার ধেয়ে আসবে। তবে ধোনি ভারতের কোচ হলেও কয়েকটি সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রথমত, তিনি সদ্য অবসর নিয়েছেন। এখন যারা ভারতের হয়ে খেলছেন, তাদের অনেকের কাছেই বন্ধুর মতো, যেখানে সাধারণত মনে করা হয় কোচ যেন অন্তত পাঁচ-ছ’বছর আগে খেলা ছেড়ে থাকেন।’ দ্বিতীয়ত, ধোনি সাদা বলের ক্রিকেটের রাজা এবং বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়ক। ট্রফি জেতায় অদ্বিতীয়। দু’টা বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, একাধিক আইপিএল কিছু বাদ নেই। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি ধোনির আগ্রহ এবং মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তার টেস্ট নীতি এবং কোহলির টেস্ট নীতিতেও বিস্তর ফারাক। ‘ক্যাপ্টেন কুল’ স্পিন-মন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। অধিনায়ক কোহলির অস্ত্র অতি আগ্রাসন আর পেস বোলিং। তাই যতই ধোনি-কোহলি দীর্ঘকালের সুসম্পর্ক থাকুক, টেস্ট মঞ্চে ক্রিকেটীয় নীতিতে ঠোকাঠুকি লাগতেই পারে। এদিকে, কোহলির সঙ্গে রবি শাস্ত্রীর সখ্য কারো জানতে বাকি নেই। আর তাই ভারত কাপ্তান শাস্ত্রীকে যে রেখে দেওয়ার শেষ চেষ্টা করবেন, তা চোখ বন্ধ করেই বলে দেওয়া যায়। তবে যদি নতুন কোচই আসে, কে আসবেন, কেউ জানে না। ধোনি এলে এক রকম। দ্রাবিড় এলে অন্যরকম। নাকি বিদেশি কোচকে নিয়ে আসা হবে? অধিনায়ক কোহলির সঙ্গে নতুন গুরুর সম্পর্ক কেমন যাবে? সময়ই বলে দেবে!


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।