• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার মৃত্যু পদ্মায় বাসডুবিতে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে সংসদীয় কমিটি ও সরকারি দল স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা

তিন দিনেই ডেঙ্গু আক্রান্ত এক হাজার

Reporter Name / ১৫৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দুই সিটি করপোরেশনের কোনো অভিযানই কাজে আসছে না। গত তিন দিনে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় এক হাজার। যাদের বেশির ভাগই শিশু। এদিকে, চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালের সক্ষমতা না থাকায় রোগীর চাপ বাড়ছে শিশু হাসপাতালে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি মাসেও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আশার সম্ভাবনা নেই। গত ছয় দিন ধরে হাসপাতালে এক প্রকার যুদ্ধই চলছে ছেলে মাহফুজ আপনের জন্য। কোনো হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে মিরপুর থেকে শিশু হাসপাতালে ছেলেকে নিয়ে উদ্বিগ্ন মায়ের দিন কাটছে হাসপাতালে। আপনের মা বলেন, আমার বাচ্চার জ্বর কমছে না, তখন ঢাকা শিশু হাসপাতালে আনা হয়। এখানে রক্ত পরীক্ষা করার পর ধরা পড়েছে ডেঙ্গু হয়েছে।  হাসপাতালগুলোর গত কয়েক মাসের চিত্র এমনই। প্রতিদিন শুধুমাত্র ঢাকা শিশু হাসপাতালেই ভর্তি হচ্ছে ১০-১৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসা নিচ্ছে ৬৭ শিশু।

ঢাকা শিশু হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজনরা জানান, সিটি করপোরেশনের লোকেরা কি করে ওষুধ ঠিকমত দেয় না। কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে শিশু হাসপাতালে বাচ্চাকে নিয়ে এসেছি।  

 ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের জন্য নির্ধারিত ছয়টি হাসপাতালের মধ্যে রোগীর চাপ সবচেয়ে বেশি মিটফোর্ড হাসপাতালে। এরপরই রয়েছে ঢাকা শিশু হাসপাতাল। চিকিৎসরা বলছেন, অন্য হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা না থাকায় এখানে চাপ বাড়ছে। ঢাকা শিশু হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, ১০ থেকে ১৫ শিশু প্রতিদিনই এখানে ভর্তি হচ্ছে। পরামর্শ হচ্ছে জ্বরটা যদি প্রচণ্ড আকারে হয়, মাথা  ব্যথা, শরীর ব্যথা ও  বমি হয় তাহলে অবশ্যই হাসপাতালে আনতে হবে আর ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে। চলমান এই ডেঙ্গু পরিস্থিতি চলতি মাসেও নিয়ন্ত্রণে আসার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, বৃষ্টিপাত যতদিন পর্যন্ত না থামছে। ততদিন পর্যন্ত ডেঙ্গু প্রজনন কমবে না। জনগণকে সচেতন হতে হবে। এ মাসেও ডেঙ্গুর প্রকোপ কমবে বলে মনে হচ্ছে না।   চলতি মৌসুমে সারাদেশে সাড়ে ১২ হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ১ হাজার ৮০ জন ও দেশের অন্যান্য বিভাগগুলোতে ১৯১ জন রোগী ভর্তি আছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে সাত হাজার ৬৯৮ জনের, জুলাই মাসে দুই হাজার ২৮৬ জনের, জুন মাসে ২৭২ জনের এবং মে মাসে ৪৩ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।
 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।