• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়নে মাসিক ও বছরব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছেন বিপ্লব রহমান নাইম শাহ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিদর্শন করলেন রাসিক প্রশাসক রাজশাহী জেলা ও মহানগর জামায়াতের আমীরদের শপথ গ্রহণ আলিম উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ইবি তালাবায়ে আরাবিয়া বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উৎসব ‘ভিইউ সাইফিউশন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে ৪৫তম বিসিএস কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিয়ে গালিগালাজ, পরীমনি রুয়েটের নিরাপত্তার দায়িত্বে আ.লীগ ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা জামিন পেলেন পরীমনি ভগ্নস্তূপে পালিত হলো ঋত্বিকের ১০১তম জন্মবার্ষিকী

নেপালে নতুন সরকারের শপথের পরদিনই সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৫১ Time View
Update : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

প্রিয়জন ডেস্কঃ নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ শপথ গ্রহণের পরদিনই গ্রেপ্তার করা হলো প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে। আজ শনিবার ভোরের দিকে রাজধানী কাঠমান্ডুর ভক্তপুর এলাকায় নিজ নিজ বাসভবন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে নেপালের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রাজধানী শাখা কাঠমান্ডু ভ্যালি পুলিশ।

কাঠমান্ডু ভ্যালি পুলিশের মুখপাত্র ওম অধিকারী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, নেপালের বিশেষ আদালতের সাবেক বিচারক গৌরী বাহাদুর কার্কির নেতৃত্বাধীন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সম্পূর্ণভাবে আইনী প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দু’জনকে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি’র নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ব্যাপকমাত্রার জেন-জি বিক্ষোভ হয়েছিল নেপালে। বিক্ষোভ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ভূমিকায় নামার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী অলি। সে সময় নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিরেন রমেশ লেখক।

সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভে জনতার সঙ্গে ব্যাপক সংঘাত হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। সংঘর্ষ সবচেয়ে তীব্র হয়ে উঠেছিল ৮ ও ৯ সেপ্টম্বর। এই দু’দিনে নেপালে নিহত হন কমপক্ষে ৭০ জন। এই নিহতদের মধ্যে ১৯ জন ছিলেন আন্দোলনকারী।

জনতার ব্যাপক বিক্ষোভ সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে গত ১১ তারিখ পদত্যাগ করেন কে পি শর্মা ওলি। রমেশ লেখক তার আগেই পদত্যাগ করেছিলেন।

পদত্যাগের পর নেপালের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে প্রধান করে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সেই সরকারের অধীনে জনবিক্ষোভ ও অভ্যুত্থান তদন্তে সাবেক বিশেষ জজ গৌরী বাহাদুর কার্কিকে প্রধান করে একটি কমিশনও গঠন করা হয়।

গত ৫ জানুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার মাধ্যমে বিদায় নিয়েছে নেপালের অন্তর্বর্তী সরকার। নির্বাচনে জয়ী হয়ে নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বালেন্দ্র শাহ, যিনি বালেন শাহ নামেও পরিচিত। বালেন নেপালের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। তার বয়স ৩৫ বছর এবং তিনি নেপালি রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির নেতা।

কে পি শর্মা অলি এবং রমেশ লেখক গ্রেপ্তার হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় বালেন শাহের নেৃতত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরং বলেছেন, “এটা কোনো প্রতিশোধ নয়, বরং প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। আমরা ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এবং তার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।”

সূত্র : ফার্স্টপোস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।