• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

দুই বছর পরপর বিশ্বকাপ, পক্ষে বিপক্ষে যারা

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

বিশ্বকাপ নিয়ে ফিফার নতুন পরিকল্পনা বিভেদ সৃষ্ঠি করেছে পুরো ফুটবল বিশ্বে। প্রতি দুই বছর অন্তর বিশ্বকাপ আয়োজনের বিপক্ষে ইউরোপ সেরা সব কোচ। তাদের দাবি, ফুটবল উন্নয়নের ধুয়ো তুলে অর্থ আয়ের ফন্দি আঁটছে ফিফা। তবে পক্ষে মত আছে গার্দিওয়ালাসহ বেশ কয়েকজন কোচের। সাবেক ব্রাজিলিয়ান তারকা রোনালদোর মতো তারকারা যখন এর পক্ষে, তখন বিপক্ষে মত ইয়্যুর্গেন ক্লপ-টমাস টুখেলদের মতো কোচদের।

প্রস্তাবটা এসেছে সাবেক আর্সেনাল কোচ ও বর্তমানে ফিফার ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গার কাছ থেকে। অথচ এই পরিকল্পনার প্রকাশ্য বিরোধিতা ইউরোপ সেরা কোচদের। লিভারপুল কোচ ইয়্যুর্গেন ক্লপ বলছেন, সবাই জানে কেন এমন পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বিশ্বকাপে অনেক দেশকে সুযোগ দেয়ার কথা বলা হলেও আদতে টাকাই সব। দুই বছর অন্তর বিশ্বকাপ হলে খেলোয়াড়রা ইনজুরিতে পড়বে। আর তাতে সৌন্দর্য হারাবে ফুটবল

পাশাপাশি চেলসি কোচ টমাস টুখেল বলছেন, এমনটি হলে অনেক বেশি ম্যাচ খেলতে হবে ফুটবলারদের। তাতে মান হারাবে ফুটবল। আমার মনে হয় কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটি বেশি দরকার। সেইসঙ্গে ফুটবলারদের চোটমুক্ত রাখাটাও জরুরি।

তবে ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওয়ালা দুই বছর অন্তর বিশ্বকাপ আয়োজনের পক্ষে মত দিচ্ছেন। তার মতে এটি বাস্তবায়ন হলে দারুণ ব্যাপার হবে। কারণ বিশ্বকাপের চেয়ে বড় কোনো আসর হতে পারে না। এমনিতেই প্রতি মৌসুমে ফুটবলাররা ৩ সপ্তাহর ছুটি পান। তাই আরেকটি বিশ্বকাপ খেলতে সমস্যা হবে না তাদের।

এদিকে ফিফার এই প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মালদ্বীপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।