• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন জিম্বাবুয়ের টেইলর

Reporter Name / ১৪০ Time View
Update : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জিম্বাবুয়ের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন ব্রেন্ডন টেইলর । আজ সোমবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডে দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে ১৭ বছরের ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন তিনি।

রবিবার (১২ সেপ্টেম্ব) রাতে নিজের ইনস্ট্যাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এই ঘোষণা দেন ৩৫ বছর বয়সী অভিজ্ঞ এই কিপার– ব্যাটসম্যান। তিনি লেখেন, “ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমি ঘোষণা করছি যে কালকের ম্যাচটিই প্রিয় দেশের হয়ে আমার শেষ ম্যাচ। ১৭ বছর দারুণ উচ্ছ্বাস ও হতাশার মধ্যে দিয়ে গেছি এবং এ অভিজ্ঞতাকে আমি কোনোকিছুর বিনিময়ে বদলাতে চাই না। ২০০৪ সালে অভিষেকের পর থেকে সবসময় আমার লক্ষ্য ছিল দলকে সেরা অবস্থানে রেখে যাওয়া। আশা করি, আমি তা করতে পেরেছি।” জিম্বাবুয়ের হয়ে টেইলরের অভিষেক ২০০৪ সালের এপ্রিলে, দেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে। অভিষেকে আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে। পরে এই সংস্করণেই বেশি সমৃদ্ধ হয়েছে তার ক্যারিয়ার। ২০৪ ম্যাচে ৩৫.৭০ গড়ে করেছেন ৬ হাজার ৬৭৭ রান, দেশের হয়ে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সোমবার শেষ ম্যাচে ১১০ রান করতে পারলে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারকে ছাড়িয়ে তিনি উঠে যাবেন চূড়ায়। ওয়ানডেতে টেইলরের ১১ সেঞ্চুরি জিম্বাবুয়ের রেকর্ড। দলটির হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ডও তার। গত বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে তিন অঙ্ক স্পর্শ করে ছাড়িয়ে যান অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের ১৬ সেঞ্চুরির রেকর্ড। তিন সংস্করণ মিলিয়ে সেটি ছিল টেইলরের ১৭তম শতক।

টেইলর প্রথম দফায় জিম্বাবুয়েকে নেতৃত্ব দেন ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত। এই বছরের শুরুতে অধিনায়কত্ব পান আবার। ২০১৫ বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ৬ ম্যাচে ৭২.১৬ গড়ে করেছিলেন ৪৩৩ রান। জিম্বাবুয়ের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক বিশ্বকাপে ৪০০ রানের মাইলফলক পেরিয়েছিলেন তিনি। সেঞ্চুরি করেছিলেন টানা দুই ম্যাচে। তার আগে বিশ্বকাপে এমন কীর্তি গড়তে পারেননি জিম্বাবুয়ের কোনো ব্যাটসম্যান। টেস্ট খেলেছেন তিনি ৩৪টি। ৩৬.২৫ গড়ে রান ২ হাজার ৩২০, দেশের হয়ে যা চতুর্থ সর্বোচ্চ। এই সংস্করণে তার ৬ সেঞ্চুরির পাঁচটিই বাংলাদেশের বিপক্ষে। ৪৫ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তার রান ৯৩৪। তিন সংস্করণেই দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন টেইলর। টেস্টে তার নেতৃত্বে ১৬ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের জয় ৩টি। ৩৭ ওয়ানডেতে জয় ৯টি এবং ১৮ টি-টোয়েন্টিতে ৪টি। হারারেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলা টেস্টটি তার ক্যারিয়ারের সবশেষ হয়ে রইল। টেস্টে তার সেরা পারফরম্যান্সও এসেছে বাংলাদেশের বিপক্ষেই। ২০১৮ সালের নভেম্বরে টাইগারদের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন টেইলর।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।