• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

ভাড়া না থাকায় চলন্ত লঞ্চ থেকে ৪ শিশুকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ

Reporter Name / ১৫১ Time View
Update : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ঢাকাগামী একটি লঞ্চ থেকে চারটি শিশুকে ছুঁড়ে মেঘনা নদীতে ফেলে দেবার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটের কাছে। এদের মধ্যে দুটি শিশুকে পুলিশই নদী থেকে উদ্ধার করেছে। পরে তাদেরকে তাদের অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের সাথে থাকা আরো দুটি শিশুও উদ্ধার হয়েছে বলেও পুলিশ জানতে পেরেছে।

নৌপুলিশের ভাষ্য, তারা লঞ্চটিকে ও এটির ক্রুদের আটকের জন্য অভিযান চালাচ্ছে। গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রইছ উদ্দিন বলেন, শনিবার মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে কিছু দূরে মেঘনা নদীর মাঝখান থেকে ভাসমান অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করেন তিনি ও তার সহকর্মীরা। তাদেরকে একটি লঞ্চ থেকে ছুঁড়ে পানিতে ফেলে দেয়া হয় বলে শিশুদুটি তাদেরকে জানিয়েছে।

ওসি রইছ উদ্দিন জানান, শনিবার সকাল ১১ টার দিকে গজারিয়া থেকে মুন্সীগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। সেসময় তিনি সরকারি একটি স্পিডবোটে ছিলেন। মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ঢাকার দিকে দুটি শিশুকে সাঁতার কাটতে দেখেন তিনি। সেসময় তারা উদ্ধারের জন্য চিৎকারও করছিল। এমন অবস্থায় উদ্দিন স্পিডবোট নিয়ে গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। তবে উদ্ধারের আগে শিশু দুটি কতক্ষণ পানিতে ছিলেন সে বিষয়ে জানাতে পারেননি।

উদ্ধার করার পর শিশু দুটি ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে জানায়, তারা ফেরিতে পানি বিক্রি করে। তারা পরিবারের সাথে ঢাকাতেই থাকে। মুন্সীগঞ্জ থেকে ঢাকাতে ফেরার জন্য তারা একটি লঞ্চে ওঠে। তবে তাদের কাছে ভাড়ার জন্য কোন টাকা না থাকায় লঞ্চের কর্মীরা তাদের পানিতে ফেলে দেয়।শিশু দুটির এই বক্তব্য খতিয়ে দেখা সম্ভব হয়নি।। এজন্য লঞ্চটির ক্রুদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। নৌপুলিশের সহায়তায় লঞ্চটিকে আটক করতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান ওসি।

যে দুই শিশুকে পুলিশ উদ্ধার করেছে, তারা পুলিশকে জানিয়েছে, তাদেরকে যখন লঞ্চের ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয় তখন তাদের সাথে আরো দুই শিশু ছিল। গজারিয়া থানার ফেসবুক পেইজে দেয়া এক ভিডিওতে এক শিশুকে বলতে শোনা যায়, “আরো দুই জন ছিল। ওদেরকে তো এখন দেখতেছি না।”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।