• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

সামান্য নৌকার ধাক্কায় ভেঙে পড়ল সেতু

Reporter Name / ১৫৬ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

২২ বছর আগে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজে আসছিল না। শেষ পর্যন্ত ইঞ্জিনচালিত নৌকার ধাক্কায় সেতুটির প্রায় অর্ধেক ভেঙে গেছে। আজ শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে সেতুটিতে নৌকার ধাক্কা লাগে। এতে নৌকায় থাকা খালেক নামে এক ব্যক্তি আহত হন। তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয় একাধিক সূত্র নৌকার ধাক্কার সেতু ভেঙে পড়ার খবর নিশ্চিত করেছে। তবে সেতুর বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের কেউ শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ ঘটনাস্থলে যাননি। যে কারণে তাদের কাছ থেকে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের বনগজ ও কৃষ্ণনগর গ্রামের বিলের মাঝামাঝি সেতুটির অবস্থান। ওই দুই গ্রামসহ উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের ভবানীপুর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ঘাটিয়ারা ও বরিশল গ্রামের মানুষের চলাচলের কথা চিন্তা করে ১৯৯৯ সালে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সেতুটি সমতল থেকে ১৫ ফুট উঁচুতে নির্মাণ করা ও এর সঙ্গে সড়ক সংযোগ না থাকায় কোনো কাজে আসছিল না। স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) বাস্তবায়ন করা সেতুটির দৈর্ঘ্য ১২০ ফুট ও প্রস্থ আট ফুট।

অভিযোগ রয়েছে, শুধুমাত্র আর্থিকভাবে নিজেরা লাভবান হতে কোনো ধরণের পরিকল্পনা ছাড়াই তখন এ ধরণের সেতু নির্মাণ করা হয়। ওই সময়ে উপজেলায় এমন আরো একাধিক সেতু নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষ সমালোচনা করেন। বনগজ গ্রামের বাসিন্দা  জানান, শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে ইটবাহী একটি নৌকা সেতুর মাঝখানের পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে সেতুটির একাংশ পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়া অংশ পড়ে নৌকাটিও ডুবে যায়। শুক্রবার সকালে নৌকার ধাক্কায় সেতুটি ভেঙে যায়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তারা সেখানে ছুটে আসেন। নৌকার মাঝি মো. রফিক মিয়া বলেন, ‘সরাইল থেকে সাত হাজার ইট নিয়ে আখাউড়ার গোলখার এলাকায় যাচ্ছিলাম। ওই সেতুর নিচে যাওয়া মাত্র পানির তোড়ে নৌকার একটি অংশ সামান্য ধাক্কা খায়। এতে সেতুর অংশ ভেঙে পড়ে। এতে নৌকাটি ডুবে যায়। সেতুতে থাকা ১১ জনের মধ্যে একজন আঘাতপ্রাপ্ত হন। এলজিইডি’র উপ-সহাকরী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম শুক্রবার বিকেলে এ প্রতিবেদকে জানান, সেতু ভেঙে পড়ার খবর তারা পেয়েছেন। তবে কতটুকু কি হয়েছে সে সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না। ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে তিনি যাচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।