• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রাজবাড়ীতে

Reporter Name / ১৬৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১

পদ্মার পানি অব্যাহত বৃদ্ধির কারণে দুর্ভোগ কমেনি রাজবাড়ীর জেলা সদর উপজেলাসহ ৫টি উপজেলার বানভাসীদের। এসব মানুষ গত ১ মাসের বেশি সময় পানিবন্দি থাকায় খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও নিত্যপণ্যের চরম সংকটে দিনাতিপাত করছেন

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ীতে শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) পদ্মার পানি ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর, বরাট, চন্দনী ও খানগঞ্জ গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া, ছোট ভাকলা ও দেবগ্রাম কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ও কালীকাপুর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া এবং পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ও বাহাদুরপুর এই ৫টি উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্যদুর্গত এসব এলাকায় মানুষ অনাহারে-অর্ধাহারে দিন পার করছেন। তাদের বেশির ভাগেরই ঘরে নেই খাবার, রান্নার জন্য নেই পর্যাপ্ত শুকনো কাঠ, গবাদি পশুর খাবার শেষ হয়ে দুর্ভোগ যেন আরও বেড়েছে। এছাড়া পানিতে বাড়ি-ঘর তলিয়েও যাওয়ায় অনেকেই নৌকায় বাস করছেন, কেউ কেউ আশ্রয় নিয়েছেন বাঁধে চর আমবাড়ীয়া গ্রামের বাবলু জানান, শিশু, গবাদি পশুর খাদ্য ও থাকার স্থান এবং বিশুদ্ধ খাবার পানি নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছি আমরা। বন্যাদুর্গত অপর এক ব্যক্তি বলেন, সবখানে বন্যার পানি উঠে যাওয়ায় আয়ের সংস্থান নেই। আমরা যারা দিনমজুর কাজ না থাকায় খুব কষ্টে চলছে আমাদের পরিবার। সরকারিভাবে কেউ কেউ ১০ কেজি করে চাল ও শুকনা খাবার পেলেও আমরা অনেকেই কিছুই পাইনি।  জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার সৈয়দ আরিফুল হক জানান, ৭ হাজার ৫ শত ১৫ জনের তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ হাজার ৪ শত ৯৮ জনের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল ও শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।