• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা আজীবন ঘৃণিত থাকবে: রাজশাহীতে ভূমিমন্ত্রী মিনু স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি চট্টগ্রামে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগিতে ‘ভয়াবহ’ আগুন শ্রদ্ধার ফুলে বীর শহীদদের স্মরণ পবা পারিলা ইউনিয়নে ১৫০ জনের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধৈর্যেরও সীমা আছে, ইরানকে সৌদির সতর্কবার্তা ট্রেনের জন্য প্লাটফর্মজুড়ে হাজারও মানুষের অপেক্ষা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া “রাজশাহীতে জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ” শিরোনামে প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে বিবৃতি

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন পুলিশ কর্মকর্তা

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানায় কর্মরত মো. সাজ্জাদ হোসেন (৪০) নামে এক উপসহকারি পরিদর্শক মৃত্যুবরণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরের পূর্ব রতনপুর এলাকার আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ জানান, রূপগঞ্জ থানায় কর্মরত এএসআই সাজ্জাদ হোসেন গত ২৯ মে রূপগঞ্জ থানায় যোগদান করেন। গত ১৫ আগস্ট তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টার সময় তিনি মারা যান। আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি। তবে পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, এএসআই সাজ্জাদ হোসেন কিডনি রোগসহ আরও কিছু জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন। পারিবারিকভাবে এসব রোগের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম  বলেন, গত ১৫ আগস্ট ডিউটিরত অবস্থায় জ্বর অনুভূত হলে তাকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। ছুটি পেয়ে বাড়িতে গিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। এরপর ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিকেলে ভর্তি করানোর পরদিন সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। তিনি বলেন, পুলিশ বিভাগ থেকে যত রকম সুযোগ সুবিধা সে প্রাপ্য, সবই তার পরিবার পাবে। এছাড়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়িতে মরদেহ পৌঁছানোসহ দাফন-কাফনের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করা হবে। এ অবস্থায় জেলার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়ে কোন ব্যবস্থা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম  বলেন, আর যেন কেউ আক্রান্ত হতে না পারে তার জন্য জেলা পুলিশ লাইন্সসহ সকল থানা, ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রগুলো মশা নিধনের জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকল পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি থানার পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে সচেতন করতে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও প্রচার প্রচারণা চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা পুলিশ সুপার।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।