• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী রুটে একটি পুরো ট্রেন ভাড়া করেছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুন্না আল্লাহ সুযোগ দিলে জনগণের চুরি করা টাকা পেট থেকে টেনে বের করবো: জামায়াত আমির সিরাজগঞ্জে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত: ইসি ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি মোতায়েনে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিল জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে হবে বিএনপির মধ্যে উগ্রতা নেই, প্রতিশোধ নেই : মির্জা ফখরুল ভোটের দিন ভিসা সেবা দেবে না সুইডেন ঋণখেলাপিদের জন্য পরবর্তী বাংলাদেশ জাহান্নাম বানিয়ে দেব : হাসনাত ভাষার মাস শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম কমালো সরকার

এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন ফিফার সাবেক প্রেসিডেন্ট

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১

ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফিফার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন ক্যামেরুনের ইসা হায়াতু। এক বছরের কম সময় ক্ষমতায় থেকেই নাকি তিনি দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন। এই অভিযোগে মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি। তার নিষিদ্ধ হওয়ার খবরটি নিশ্চিত করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, ‘আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিএএফ) সভাপতি থাকাকালে অবৈধ কাজ করেছেন হায়াতু। ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত সময়কালের জন্য তিনি ফ্রান্সভিত্তিক একটি কোম্পানির সঙ্গে মিডিয়া ও মার্কেটিংয়ের চুক্তি করেছিলেন। সার্বিক বিষয় নিয়ে ফিফা বলেছে, কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে হায়াতু নিজের ক্ষমতার জোরে অবৈধ চুক্তি করেছিলেন। যার কারণে সিএএফের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছিল। তাই তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সব ধরণের ফুটবল থেকে আগামী এক বছর নিষিদ্ধ থাকবেন। তাকে পরিশোধ করতে হবে জরিমানাও। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এক বছর নিষিদ্ধের পাশাপাশি ইসা হায়াতুকে গুণতে হবে ৩০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা। দুর্নীতির দায়ে ফিফা তাকে এই শাস্তি দিয়েছে।  হায়াতুর বয়স বর্তমানে ৭৪। ২৮ বছর বয়সে তিনি ক্যামেরুন ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২৯ বছর পালন করেছেন আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সভাপতি। আফ্রিকান ফেডারেশনের সভাপতি থাকাকালেই ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা ও ফিফার সঙ্গে সখ্য গড়ে উঠতে থাকে তার। ধীরে ধীরে তিনি ফিফার সহসভাপতিও হন। ২০১৭ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে তার ক্ষমতা হস্তান্তর হয়। ২০১০ সালে দারুণ তোপের মুখে পড়েন হায়াতু। ওই সময় তার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের সুবাদে উপঢৌকন নেওয়ার গুঞ্জন ওঠে। ২০১০ সালে তিনি আফ্রিকান কাপের আগে টোগোকে কনফেডারেশন থেকে নিষিদ্ধ করেন। পরে টোগোই নিজেদের নাম টুর্নামেন্ট থেকে প্রত্যাহার করে নেয়। ওই সময় টোগোর ফুটবলারদের ওপর একটি হামলা হয়, যাতে দুজনের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনার হায়াতুকে নিয়ে প্রচুর সমালোচনা হয়। হায়াতু এখনও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির অনারারি সদস্য। তার আগে ফিফার সভাপতি ছিলেন সেফ ব্লাটার। ২০১৫ সালে ব্লাটারের বিপক্ষে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ক্ষমতা পান ইসা। এখন নিজেই দুর্নীনির দায়ে অভিযুক্ত। ওদিকে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সেফ ব্লাটার এখনও নিষিদ্ধ আছেন, যার মেয়াদ ২০২৮ সাল নাগাদ। এরপর মুক্তি পাবেন ৮৫ বছর বয়সী ব্লাটার।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর

৯৯ রান যোগ করেই শেষ রাজশাহী, রংপুরের বড় জয়জাতীয় ক্রিকেট লিগে তৃতীয় দিন শেষেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল রংপুর বিভাগ। জয়ের জন্য চতুর্থ দিন দরকার ছিল রাজশাহীর চার উইকেট। প্রথম সেশনে রাজশাহীর গোলাম কিবরিয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। মঙ্গলবার রাজশাহীর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২০১ রান। কিন্তু আগের দিন ৬২ রান করা রাজশাহী আজ আরও ৯৯ রান যোগ করেই থেমে গেছে। তাতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে রংপুর। দলটির জয়ের নায়ক আরিফুল হক। সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তিনি। রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার জয়ের সুবাস নিয়েই খেলতে নেমেছিল রংপুর। লিগের চতুর্থ রাউন্ডে সোমবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ২৬৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। কিন্তু শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ছিল আরও ৪ উইকেট। তার পর প্রতিপক্ষকে সহজেই ১৬১ রানে অলআউট করেছে। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন গোলাম কিবরিয়া। ৬৫ বলে খেলেছেন ৫৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসে সানজামুলের ব্যাট থেকে (২৩) রান। রংপুরের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন আরিফুল হক। তৃতীয় দিনে তার চমৎকার বোলিংয়ে মূলত ম্যাচে ফেরে রংপুর। ৩ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রংপুরের জয়ের পথটা তিনিই তৈরি করেছেন। পরপর দুই বলে প্রিতম ও ওয়াসিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। শেষ পর্যন্ত যদিও কীর্তিটি গড়তে পারেননি। এছাড়া রবিউল হক, আব্দুল গাফফার ও আবু হাসিম প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল রংপুর। প্রথম ইনিংসে আরিফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। আরিফুল ছাড়া দলের সবাই ছিলেন ব্যর্থ। ১৬১ বলে ১০৩ রানে সতীর্থদের আসা যাওয়ার মিছিলের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। রংপুরকে অল্পরানে গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন সাব্বির হোসেন। তিনি একাই নেন ছয়টি উইকেট। এরপর রাজশাহী তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ও রবিউল হকের বোলিংয়ে ১৮৯ রানে থামে দলটির ইনিংস। সাব্বির হোসেন ৪৭ ও ওয়াইসি সিদ্দিকি খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। জবাবে রংপুরের টপ অর্ডার ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। অধিনায়ক আকবর আলী ৭৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। তাছাড়া তানভীর হায়দার (৪০), মিম মোসাদ্দেক (৩৩), চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩২) রানের ইনিংস খেলেছেন। তাদের অবদানে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬২ রান।